রাজধানীতে শীত বাড়লেই বাড়ে ধুলোবালি । সড়কে যেদিকে চোখ যায় যেন ধুলোর রাজ্য। ধুলোবালির কারণে সড়কের পাশের গাছগাছালিও ধূসর রঙ ধারণ করেছে।
অথচ পর্যাপ্ত পানি ছিটিয়ে এই ধুলোবালি কমাতে তেমন কোনো কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে যত্রতত্র চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। এতে অ্যালার্জি, ফুসফুসে সংক্রমণসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ।
ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়া যারা চলাচল করে নগরীতে, তারা খুবই অস্বস্তিকর অবস্থার মধ্যে পড়ে। বাসা থেকে পরিষ্কার কাপড় পরে বের হয়ে অফিস পর্যন্ত যেতেই তা নোংরা হয়ে যায়। হাত, মুখ, চুল ও পোশাক ধুলার আস্তরণে ঢেকে যাওয়ার অবস্থা। অফিস শেষে বাসায় ফিরতে আরেক প্রস্ত ধুলা পড়ে পোশাকের অবস্থা হয়ে যায় করুণ।
এ কারণে এক পোশাক দুদিন পরার মতো অবস্থায় থাকে না। কেউ সাহসও করেন না। ফলে পোশাক পরিষ্কার করতে হয় প্রতিদিন, সেই সঙ্গে ইস্ত্রি করাসহ খরচ বেড়ে গেছে। শীত বাড়লেই বাড়ে ধুলোবালি
সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকার প্রবেশমুখ গাবতলী, আব্দুল্লাহপুর, সায়েদাবাদ, পোস্তগোলা দিয়ে আসা-যাওয়ার পথে মানুষ ধুলায় একাকার হয়ে যাচ্ছে। একই চিত্র উত্তরা, গাবতলী-মোহাম্মদপুর-বাবুবাজার বেঁড়িবাধ সড়কেও।
মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, বিআরটি প্রকল্পের কারণেও নগরীর বিভিন্ন এলাকায় খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলিতে নর্দমা, সড়ক ও সেবা সংস্থার প্রয়োজনে খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। বাড্ডার বিভিন্ন সড়ক, মিরপুর, পুরান ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি চলছে। আর ধুলা প্রতিরোধের ব্যবস্থা না করেই নির্মিত হচ্ছে সরকারি ও বেসরকারি ভবন; এসব ভবনের ইট, পাথর, বালু থেকে প্রচুর ধুলা ছড়াচ্ছে। পণ্যবোঝাই ট্রাক থেকেও প্রচুর ধুলার সৃষ্টি হচ্ছে।
