কক্সবাজারে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন রুটে ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। উত্তাল সমুদ্র এবং স্থানীয় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতের কারণে ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) সকাল থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে নৌ চলাচল বন্ধ রয়েছে।হোটেল মালিক এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সদস্যদের মতে, এর ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে খাদ্য সংকট
তবে দ্বীপে আটকে পড়া পর্যটকরা ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান। গত মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তর স্থানীয় সতর্কতা নম্বর জারি করেছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে ভয়াবহ আবহাওয়ার জন্য ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত জারি করে।
আবহাওয়া স্বাভাবিক না হওয়ার পাশাপাশি সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার না করায় শুক্রবারও (৬ অক্টোবর) টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে। সাগর উত্তাল থাকায় যাত্রী নিয়ে কোনো ট্রলার সেন্ট মার্টিন থেকে টেকনাফের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি স্থানীয় কোস্ট গার্ড।
স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন শুভ বলেন, তিন দিন ধরে কোনো জাহাজ বা ট্রলার সেন্ট মার্টিনে প্রবেশ করেনি। এই কারণে, দ্বীপে একটি নির্দিষ্ট খাদ্য ঘাটতি ছিল। ২০০ জন পর্যটক সহ দ্বীপে আমাদের ১০,০০০ জন বাসিন্দা রয়েছে। ট্রলার না থাকায় টেকনাফ থেকে খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়নি। এতে কিছু খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান জানান, উত্তাল সমুদ্র ও স্থানীয় ৩ নম্বর সতর্ক সংকেতের কারণে ২০০ পর্যটক আটকা পড়েছে। আবহাওয়া এখনও স্বাভাবিক না হওয়ায় তারা আজ আর ফিরবে না। সেন্ট মার্টিন থেকে সব ধরনের জাহাজ ও ট্রলার চলাচল বন্ধ থাকায় কিছুটা খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে। তবে দ্বীপের মানুষ ও পর্যটকদের কথা চিন্তা করে উপজেলা প্রশাসন খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছে। পর্যটকরা ভালো আছেন।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সুমি আক্তার বলেন, এখানে খাবারের দাম বেশি। কিছু হোটেলে গরুর মাংস বা মুরগির মাংস পরিবেশন করে না। যে যেসব হোটেলে আছে তারা অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে টেকনাফ জেলার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আদনান চৌধুরী বলেন, এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আদনান চৌধুরী বলেন, বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল ও ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত থাকায় আজকেও জাহাজ চলাচল বন্ধ আছে। দ্বীপে আটকা পর্যটকদের জন্য খাদ্য সামগ্রী নিয়ে তিনটি ট্রলার গেছে।
