ইসরায়েলের বিমান হামলা থেকে বাঁচতে ফিলিস্তিনের গাজা ছাড়ার এখন একমাত্র পথ মিশর সংলগ্ন রাফাহ সীমান্ত। এই সীমান্ত পয়েন্টে জড়ো হয়েছেন গাজার হাজার হাজার মানুষ। সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতির সময় সীমান্তটি সাময়িকভাবে পুনরায় চালু করা হবে এমন আশায় সোমবার সকালে বাস্তুহারা মানুষ সেখানে ছুটে যান। ইসরায়েলের স্থল অভিযান শুরুর আগে সীমান্ত দিয়ে গাজা ছাড়ার জন্য তারা সেখানে পৌঁছেন। এটি খুলে দেওয়ার ব্যাপারে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালুর আলোচনা চলছে। যদিও ইসরায়েল ও হামাস উভয় পক্ষ এ ধরনের কোনো চুক্তির কথা অস্বীকার করেছে।
ইসরায়েলকে দুষছে মিসর: তবে জাতিসংঘ বলেছে, সীমান্ত ক্রসিং পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় কোনো অগ্রগতি হয়নি। আর মিসর এজন্য ইসরায়েলকে ‘সহযোগিতা না করার’ জন্য দায়ী করেছে। গত ৭ অক্টোবর হামাসের রকেট হামলার পর ইসরায়েল বিমান হামলা শুরু করার পর গাজা থেকে বেরিয়ে আসার সব পথ বন্ধ রয়েছে। ইসরায়েলের বিমান হামলা
এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো সোমবার ইসরায়েল সফরে যান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। এই অঞ্চলের ছয়টি আরব দেশ সফরের পর তিনি মানবিক সহায়তা সরবারহ ও বিদেশি পাসপোর্টধারীদের সরিয়ে নিতে সীমান্তটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে ইসরাইলে রয়েছেন।
ব্লিঙ্কেন ও যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব জেমস ক্লিভারলি দুজনই বলেছেন, তারা রাফাহ সীমান্ত আবার চালু করতে ইসরায়েল, মিশর ও অন্যান্য নেতৃস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে কাজ করছেন। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গাজা অবরোধ করায় হামাস-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলে অন্যান্য প্রবেশপথগুলো বন্ধ রয়েছে। হামাসের হামলার জবাবে গাজায় বিমান হামলা শুরু করার আগে পানি, খাদ্য ও জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয় ইসরাইল।
