কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই। লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, জাভি, ইনিয়েস্তা, মেসুত ওজিল, সার্জিও রামোস…কালের আবর্তনে এল ক্লাসিকো হারিয়ে ফেলেছে স্বর্ণালী যুগের তারকাদের। কিন্তু বার্সেলোনা আর রিয়াল মাদ্রিদ যখন মুখোমুখি, তখন ফুটবল মাঠে উত্তাপ ছড়াবে এটাই হয়ত স্বাভাবিক।
উত্তেজনা ছড়িয়েছে বটে, তবে মাঠের খেলায় সেই চিরায়ত ঝাঁঝ আর দেখা মেলেনি। ইনজুরি জর্জরিত বার্সেলোনার কাছে কিছুটা মলিনই ছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে পুরো মৌসুমে যিনি আলো ছড়িয়েছেন, সেই জ্যুড বেলিংহ্যাম আরও একবার ত্রাতা হলেন রিয়ালের।
শনিবার রাতে লা লিগায় মৌসুমের প্রথম এল ক্লাসিকোতে মুখোমুখি হয়েছিল বার্সা-রিয়াল। জাভি হার্নান্দেজদের ‘নতুন ঘর’ এস্তাদি অলিম্পিক লুইস কোম্পানিসে দুই দু’বার বেলিংহ্যামের গোলে স্তব্ধ করে দিল রিয়াল।
বার্সেলোনার স্কোয়াডে ছিল একঝাঁক ইনজুরি। বিশেষ করে মাঝমাঠে পেদ্রি আর ফ্র্যাঙ্কি ডি জংয়ের অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। তবু ম্যাচের লম্বা একটা সময় মাঝের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছেই রেখেছিল কাতালোনিয়ার ক্লাবটি। তবে রিয়ালে বেলিংহ্যাম আছেন, ম্যাচটাও শেষ করলেন ওই একজনই। শেষ মুহূর্তের গোলে রিয়ালকে ২-১ গোলের জয় এনে দিয়েছেন এই ইংলিশম্যান। কফি হাউজের সেই আড্ডাটা
ম্যাচের প্রথমার্ধ অবশ্য খেলেছে বার্সাই। ৬ মিনিটেই ইলকাই গুনদোয়ানের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। ফেরান তোরেসের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান করে বক্সে বল পেয়েছেন। আলাবা ট্যাকল করতে গিয়ে সেই বলকে আরও সহজ করলেন। এরপর জার্মান মিডফিল্ডার গুনদোয়ান ভুল করেননি। ফলে ম্যাচে লিড পেয়ে যায় বার্সা।
প্রথমার্ধেই আরও একটা গোল পেতে পারতো বার্সা। টনি ক্রুসের পা থেকে বল নিয়ে গোলে দারুণ শট নিয়েছিলেন ফার্মিন লোপেজ। তবে বল ফেরত আসে সাইডপোস্ট থেকে। ৩২ মিনিটে আরও একবার ব্যর্থ হয় কাতালানরা। তাদের সেই ১-০ গোলের লিড দেখে টানেলে ফেরে দুই দল।
