ইসরায়েল হামাস যুদ্ধ অনলাইনে ক্রমেই বিশ্বযুদ্ধে পরিণত হচ্ছে। ইরান, রাশিয়া ও চীনের রাষ্ট্রীয় মিডিয়া এবং বিশ্বের প্রধান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে হামাসকে প্রবলভাবে সমর্থন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে ধিক্কার ও খাটো করে দেখার পাশাপাশি দেশটির প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্রকেও হেয় করা হচ্ছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের
গাজায় ইসরায়েলি বর্বরতার বিষয়ে আল কায়দা ও ইসলামিক স্টেটের মতো গ্রুপগুলোর সঙ্গে অনলাইন লড়াইয়ে যোগ দিয়েছে লেবানন, সিরিয়া এবং ইরাকের ইরানপন্থিরাও। আগে এসব গ্রুপের মতবিরোধ ছিল হামাসের সঙ্গে। কিন্তু এখন তারা এক।
সরকারি কর্মকর্তা এবং স্বাধীন গবেষকদের মতে, অনলাইনে প্রচার এবং অপপ্রচার আগে ছিল, তবে এবার সব মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এটি বিশ্বের ভূরাজনৈতিক বিভাগের ফল।
ইসরায়েলের সোশ্যাল মিডিয়া ইন্টেলিজেন্স কোম্পানি সিয়াব্রার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাফি মেন্ডেলসোন বলেন, এক পোস্ট বিশ্বব্যাপী মানুষ দেখছে। ফলে যুদ্ধকে এমনভাবে প্রভাবিত করছে, যা রণক্ষেত্রে অন্য যে কোনো কৌশলের মতোই কার্যকর। গত ৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে আক্রমণ করার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার ভুয়া অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করেছে। ইসরায়েল হামাস যুদ্ধ
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামাসকে সমর্থন করার জন্য ইরান, রাশিয়া এবং চীনের প্রত্যেকেরই আলাদা প্রেরণা রয়েছে। তারা যুদ্ধ শুরুর পর থেকে একই থিম কাজে লাগিয়েছে। কর্মকর্তারা এবং বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তারা কেবল নৈতিক সমর্থনই দিচ্ছেন না, বরং একে অপরকে প্রসারিত করতে চাচ্ছেন। একাধিক ভাষায় একাধিক প্ল্যাটফর্মজুড়ে তাদের মতামত বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে দিতে প্রকাশ্য এবং গোপনে তথ্য প্রচার চালাচ্ছেন।
গত ৭ অক্টোবর হামাস যে নৃশংসতা চালিয়েছে, তারপর যেসব দেশ ইসরায়েলকে সমর্থন দিতে ব্যর্থ হয়েছে তারা হামাসের সমর্থক। গাজা সংকটকে কেন্দ্র করে মধ্যপন্থা অবলম্বনের কোনো সুযোগ নেই এমনটাই ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
