মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে সোমবার হাইকমিশনের মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় বলে জানিয়েছেন হাইকমিশনের প্রথম সচিব সুফি আব্দুল্লাহিল মারুফ।
আলোচনা সভায় হাইকমিশনার মো. শামীম আহসান বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদূরপ্রসারী ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে স্বাধীনতার মাত্র এক বছরের মধ্যে দেশের সংবিধান প্রণয়ন বাঙালির জাতীয় জীবনে তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।’
তিনি বলেন, ‘প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস ও সংবিধানের চেতনা ধারণে জাতীয় সংবিধান দিবস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ‘সোনার বাংলা’ গড়ার লক্ষ্যে প্রবাসীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
সভায় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও হাইকমিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। সভার শুরুতে দিবসটি উপলক্ষ্যে দেওয়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত ড. মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম সর্বজনীন পেনশন স্কিম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো চালু হল সর্বজনীন পেনশন স্কিম। সরকারিভাবে পেনশন স্কিমের ব্যবস্থাপনা করা হবে। এই স্কিমের আওতায় সরকারি চাকরিজীবী বাদে দেশের সকল নাগরিক পেনশন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হল। কারও বয়স ১৮ বছরের বেশি হলেই এখন অনলাইনে নিবন্ধন করতে পারবেন। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের
তিনি আরও বলেন, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে এই সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন। কেউ চাইলে এই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন করে যুক্ত হতে পারবেন। এ জন্য সরকার পৃথক একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে। সর্বজনীন পেনশনের আওতায় আপাতত চার ধরনের স্কিম চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসীদের জন্য প্রবাস স্কিম, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রগতি স্কিম, স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য সুরক্ষা স্কিম এবং নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য থাকছে সমতা স্কিম।
