অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার প্রধান হাসপাতাল আল-শিফাতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী । এতে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে হাসপাতালের জেনারেটর ব্যবস্থা। সেখানে এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে রোগীরা। হাসপাতালের ইনকিউবেটরে থাকা ৩৯ শিশু এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছে বলে জানিয়েছে হাসপাতালটির পরিচালক।
এদিকে আল-শিফা হাসপাতালে ইসরায়েলি বাহিনী সাদা ফসফরাস ছুড়েছে বলে জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাই আল-কাইলা।
রামাল্লাহয় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ একটি অস্ত্র। আমরা আশ্চর্য হচ্ছি যে সাদা ফসফরাস দিয়ে আল-শিফা হাসপাতালে গোলাবর্ষণের জন্য ইসরায়েলকে কে সহায়তা করছে?
তিনি বলেন, ‘ইসরাইলি বাহিনী গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে।
‘গাজার হাসপাতালগুলোর রোগীদের মৃত্যু অনিবার্য হয়ে ওঠেছে। আমরা এর জন্য ইসরাইল, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দায়ী করব,’ বলেন তিনি।
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার প্রধান হাসপাতাল আল-শিফাতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে জ্বালানি ফুরিয়ে যাওয়ায় পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে হাসপাতালের জেনারেটর ব্যবস্থা।
সেবা বন্ধ হওয়ায় হাসপাতালটিতে এখন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে রোগীরা। হাসপাতালের ইনকিউবেটরে থাকা ৩৯ শিশু এখন মৃত্যুর প্রহর গুনছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালটির পরিচালক।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, আল-শিফা হাসপাতালের ইনকিউবেটরে থাকা এক শিশু এরই মধ্যে মারা গেছে। হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী
গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. ইউসেফ আবু আলরিস এখন আল-শিফা হাসপাতালের ভেতর রয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) ও অন্যান্য অংশে হামলা চালানো হয়েছে। যেকোনো সময় হাসপাতালটিতে আগুন ধরে যাবে।’
হাসপাতালটির এক সার্জন বলেন, ‘হাসপাতালে পানি, খাবার ও বিদ্যুৎ শেষ হয়ে গেছে।
