সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে বিপদের ঘনঘটা । হঠাৎ ব্যাটিং বিপর্যয়ে প্রোটিয়ারা। যে টপ-অর্ডার আসর জুড়ে ঘুম কেড়েছে প্রতিপক্ষের, তারাই কিনা জ্বলে ওঠার আসল সময়ে ব্যর্থ! টপ-অর্ডার ভেঙেছে শুরুতেই, মাত্র ২৮ রানে নেই ৪ উইকেট!
আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কুইন্টন ডি কক। হাঁকিয়েছেন চারটি শতক। ভাবা হচ্ছিল সেমিফাইনালেও জ্বলে উঠবেন। বিশেষ করে দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে তার দিকে তাকিয়ে ছিল দল।
তবে আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি ডি কক। ১৪ বলে মাত্র ৩ রান করে হ্যাজলউডের শিকার তিনি। তার আগেই অবশ্য ফিরেন অধিনায়ক টেম্বা বাভুমাও। ৪ বল খেলে স্টার্কের শিকার হয়ে ফেরেন ০ রানে। ৮ রানেই ২ উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা।
পাওয়ার প্লেতে মাত্র ১৮ রান তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে পাওয়ার প্লেতে সর্বনিম্ন সংগ্রহের দ্বিতীয় সেরা রেকর্ড। পাওয়ার প্লে শেষেও দুর্দশা কমেনি। পরের ওভারেই ফেরেন এইডেন মার্করাম। ২০ বলে ১০ করে স্টার্কের দ্বিতীয় শিকার তিনি। আফ্রিকার ইনিংসে বিপদের ঘনঘটা
পরের ওভারে ফেরেন শেষ ভরসা হয়ে মাঠে থাকা ভেন ডুসেনও। থিতু হওয়ার যথেষ্ট চেষ্টা করেও ব্যর্থ তিনি। ৩১ বলে ৬ রান করে হ্যাজলউডের শিকার এই ব্যাটার। ১২ ওভার শেষে সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৮ রান।
বৃহস্পতিবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনে টসে জিতে আগে ব্যাট নেয়ার পর ভাবা হচ্ছিল হয়তো দারুণ কিছু করতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা। যেমনটা করেছে আগের ম্যাচগুলোতে আগে ব্যাট করে। তবে এদিন আর দাঁড়াতে দিলেন না হ্যাজলউড-স্টার্ক।
