গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। নিহত এসব ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ৫ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি শিশু। এছাড়া নিহতদের মধ্যে নারীর সংখ্যাও প্রায় চার হাজার।
এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে হাসপাতাল, মসজিদ ও গির্জাসহ হাজারও ভবন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ১৪ হাজার ১২৮ জনে পৌঁছেছে বলে অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার জানিয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ৫ হাজার ৮৪০ জনেরও বেশি শিশু এবং ৩ হাজার ৯২০ জন নারী রয়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর হামাসের নজিরবিহীন আন্তঃসীমান্ত হামলার পর থেকে ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় অবিরাম বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ইসরায়েলি এই হামলায় হাসপাতাল, মসজিদ, গির্জাসহ হাজার হাজার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে। ইসরায়েলি বর্বর হামলায়
অন্যদিকে সংঘাত শুরুর পর থেকেই গাজায় সম্পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি অবরোধ গাজাকে জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং পানির সরবরাহ থেকেও পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে টানা দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে বিরতিহীনভাবে আগ্রাসী হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। নির্বিচার হামলা ও অভিযানে এখন পর্যন্ত উপত্যকাটিতে ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। যাদের মধ্যে প্রায় ১০ হাজারই নারী ও শিশু। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে হাসপাতাল, মসজিদ ও গির্জাসহ হাজারও ভবন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা উপত্যকায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি নিহতের সংখ্যা ১৪ হাজার ১২৮ এ পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে ৫ হাজার ৮৪০ জনেরও বেশি শিশু এবং ৩ হাজার ৯২০ জন নারী রয়েছে।
এখন পর্যন্ত উপত্যকাটিতে ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছেন ৩৩ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি এবং এখন পর্যন্ত ছয় হাজার ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে হাসপাতাল, মসজিদ ও গির্জাসহ হাজারও ভবন।
