হামাস ইসরাইলের মধ্যে চলা চারদিনের যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিন আজ। শর্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় দিনে ৪২ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল।
ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর আটক করে গাজায় নিয়ে যাওয়া জিম্মিদের মধ্য থেকে ১৪ জিম্মিকে শনিবার মুক্তি দেওয়া হবে।
শুক্রবার থাই নাগরিক এবং ইসরাইলিসহ গাজায় আটক প্রায় দুই ডজন জিম্মিকে বন্দিদশা থেকে মুক্তি দেয় হামাস। একইসঙ্গে ওইদিন ইসরাইলের হেফাজতে থাকা ৩৯ ফিলিস্তিনি বন্দিও মুক্তি পেয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির চারদিনে ইসরাইল তাদের কারাগার থেকে ১৫০ ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে।
এদিকে চার দিনের যুদ্ধবিরতি শেষে ফিলিস্তিনের গাজায় ফের হামলা শুরু করবে দখলদার ইসরাইল। বৃহস্পতিবার ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, স্বল্প সময়ের বিরতি শেষ হলে আরও অন্তত দুই মাস হামাসের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই চালিয়ে যাবে ইসরাইলের বাহিনী। সেজন্য এ বিরতিতে সেনাদের প্রস্তুতি নিতে, তদন্ত করতে, আরও অস্ত্র সরবরাহ করতে এবং যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে। যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় দিন
ইসরায়েলের প্রিজন সার্ভিসের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা এপি জানিয়েছে, ৪২ ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ২৫ নভেম্বর হামাস তাদের হাতে জিম্মি ১৪ ইসরায়েলিকে মুক্তি দেবে।
অবশ্য শুক্রবার হামাস ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হাতে একটি নামের তালিকা দিলেও শনিবার কতজন জিম্মি মুক্তি পাবেন, ইসরায়েল সেই সংখ্যা জানায়নি।
জিম্মিদের মধ্যে কতজন অ-ইসরায়েলি মুক্তি পাবেন, তা-ও তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করা হয়নি। নিরাপত্তা সংস্থার সূত্রগুলো জানিয়েছে, মুক্তি দিতে যাওয়া ১৪ জন জিম্মির তালিকা মিসরকে দিয়েছে হামাস।
এর আগে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রথম দিন শুক্রবার ২৪ জিম্মিকে মুক্তি দেয় হামাস। মুক্তি পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ইসরায়েলি নারী ও শিশু, এবং থাই কর্মীরা ছিলেন।
বিনিময়ে শুক্রবার ইসরায়েলের কারাগার থেকে ৩৯ ফিলিস্তিনিকেও মুক্তি দেওয়া হয়। এর আগে শুক্রবার জিম্মিদের মুক্তির আগে অস্থায়ী এ যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সাত সপ্তাহ পর হামাস যোদ্ধা ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যকার লড়াই প্রথমবারের মতো থামে।
