প্রথম দিনেই সব রেকর্ড ভেঙ্গেছে সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ড্রিম প্রজেক্ট অ্যানিমেল। ছবিটি মুক্তির পরপরই বক্সঅফিস চার্টে দেখা গেছে মধুর রেকর্ড ভাঙার চিত্র। প্রথম দিনের বক্স অফিসের কালেকশনে তালিকার সবার উপরে অবস্থান করছে এখন ছবিটি। প্রথম দিনে শুধু ভারত থেকেই এ ছবি আয় করেছে ৬১ কোটি টাকা। শাহরুখ খানের ‘পাঠান’ ও ‘জওয়ান’ এবং সানি দেওলের ‘গদর’ ও সালমান খানের ‘টাইগার ৩’ কে ছাপিয়ে এখন হাইপ অ্যানিমেলের।
২০০৮ সালে বক্সঅফিস হিট ‘এ জওয়ানি হ্যায় দিওয়ানি, রকস্টারের পর অ্যানিমেল প্রথম দিনেই ৬১ কোটি টাকা আয় করেছে। ব্রহ্মাস্ত্রের ৩৭ কোটির ব্যবসা ছাড়িয়ে অ্যানিমেল এখন টপে। একেই যেন বলে নিজের রেকর্ড নিজে ভাঙা।
পাঠান, জওয়ান, টাইগার-৩ এর পরে রণবীর কাপুরের অ্যানিমেল সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে ভারতে। এর আগে পাঠানের প্রথম দিনের আয় ছিল ৫৭ কোটি টাকা। তার পর ছিল কেজিএফ-২। যার আয় প্রায় ৫৪ কোটি টাকা। তৃতীয় স্থানে ছিল ওয়ার ৫৩ কোটি টাকা, চতুর্থ টাইগার-৩।
যার আয় ছিল সাড়ে ৪৪ কোটি টাকা। সবকিছুকে ছাপিয়ে শুধু হিন্দি ভাষা থেকে এ ছবি আয় করেছে সাড়ে ৫০ কোটি টাকা। তেলুগু ইন্ডাস্ট্রি থেকে আয় ১০ কোটি টাকার কিছু বেশি। সে হিসেবে অ্যানিমেল শুধু রণবীরের কেরিয়ারের সবচেয়ে বড় হিট নয়, সুপারহিট। সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গার ড্রিম
তিন ঘণ্টা ৩৫ মিনিটের একটি ছবি, আর এ ছবি ঘিরেই এখন চারদিক উত্তাল। অনেকেই বলছেন, ২০২৩-এর সবথেকে ভাল ছবিটি বানিয়ে ফেলেছেন পরিচালক সন্দীপ রেড্ডি ভাঙ্গা। এ সিনেমায় একাধিক অন্তরঙ্গ দৃশ্য আছে, দুজনেই নগ্ন হয়েছেন অনেকগুলো দৃশ্যে। ছবিটিকে ‘এ’ বা অ্যাডাল্ট তকমা দিয়েছে ভারতীয় সেন্সর বোর্ড। ছবিটির হল মুক্তির আগে অন্তত পাঁচটি জিনিস পরিবর্তন করার কথা বলেছিল সেন্সর বোর্ড। তার মধ্যে একটি হল, ছবিতে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের ব্যবহার কমাতে হবে। শুধু নগ্ন দৃশ্যই নয়, ছবিতে রাশমিকা ও রণবীরের যে পরিমাণ অন্তরঙ্গ মুহূর্ত রয়েছে, ভারতীয় ছবির ক্ষেত্রে তা বিরল।
এ বছরে তিনিই সবচেয়ে বেশি আলোচিত ডিরেক্টর। রণবীর-সন্দীপের জুটি সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ভাঙা পরিচালিত এ ছবিতে অভিনেতা হিসাবে তার দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন করার জন্য কোনো জায়গা রাখেনননি রণবীর।
