জাতীয় পার্টিকে ২৬টিসহ শরিকদের মোট ৩২টি আসনে আওয়ামী লীগ ছাড় দিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।
রোববার বিকেল ৪টার দিকে আগারগাঁওয়ে ইসি সচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টিকে ২৬টি এবং শরিকদের ৬টি আসন ছেড়ে দিয়েছি। বাকিগুলোতে আমাদের প্রার্থীরা নির্বাচন করবেন। আওয়ামী লীগ ছাড় দিয়েছে
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মিত্রদের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছি আমরা। আওয়ামী লীগ ২৯৮টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে ৫টি আসনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে।
তিনি জানান, জাপার সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে- ঠাকুরগাঁও-৩, নীলফামারী-৩ ও ৪, রংপুর-১ ও ৩, কুড়িগ্রাম-১ ও ২, গাইবান্ধা-১ ও ২, বগুড়া-২ ও ৩, সাতক্ষীরা-২, পটুয়াখালী-১, বরিশাল-৩, পিরোজপুর-৩, ময়মনসিংহ-৫ ও ৮, কিশোরগঞ্জ-৩, মানিকগঞ্জ-১, ঢাকা-১৮, হবিগঞ্জ-১, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ফেনী-৩, চট্টগ্রাম-৫ ও ৮, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন। এই আসনগুলোতে নৌকার প্রার্থী থাকবেন না। এছাড়া ১৪ দলীয় জোটের সঙ্গে সমঝোতা হয়েছে বগুড়া-৪, রাজশাহী-২, কুষ্টিয়া-২, বরিশাল-২, পিরোজপুর-২, লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে ১৪ দলীয় জোটের প্রার্থীরা নির্বাচন করবে।
এর আগে রোববার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ৪০মিনিটে ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের কক্ষে প্রবেশ করেন বিপ্লব বড়ুয়া। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টিকে ২৬টি এবং শরিকদের ৬ আসনে ছাড় দিয়েছে আওয়ামী লীগ। আমরা (আওয়ামী লীগ) মিত্রদের সঙ্গে জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচন করছি।
‘যাচাই-বাছাই শেষে আমাদের নিজেদের ৫টি আসনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। সেসব আসন আমাদের দিক থেকে উন্মুক্ত থাকবে।’
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত চিঠি নির্বাচন কমিশনে পৌঁছে দেন দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া। চিঠিতে যেসব আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী থাকবে না এবং বিকল্প হিসেবে অন্য যে দলের প্রার্থী থাকবে তাদের নাম উল্লেখ করা রয়েছে।
