গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা দেড় মাসের অভিযানে কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা, নিহত হয়েছেন ২০ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। এই নিহতদের ৭০ শতাংশই নারী, শিশু,অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর-কিশোরী এবং বয়স্ক লোকজন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু বলছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন না-করা পর্যন্ত যুদ্ধ থামবে না।
গোটা বিশ্ব শান্তি-সমঝোতা নিয়ে ইসরায়েলের ওপরে চাপ বাড়ালেও যুদ্ধের গতি যেন বাড়ছেই। গত দু’দিনে গাজায় ৩৯০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৭৩৪ জন। গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গতকাল জানিয়েছে, যুদ্ধে প্রাণহানি ২০ হাজার ছাড়িয়েছে।
ইসরায়েল সামিরক অভিযান শুরুর পর থেকে সাত দিনের যুদ্ধবিরতির সময়টি বাদ দিয়ে দিনে গড়ে প্রায় তিনশ করে মানুষ নিহত হয়েছে। কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক ইমার্জেন্সি ডিরেক্টর রিচার্ড ব্রেনান বলেছেন তিনি এ তথ্যকে বিশ্বাসযোগ্যই মনে করেন।
যুদ্ধ ক্ষেত্রে মৃতের সংখ্যা নির্ধারণ একটি কঠিন বিষয় এবং গাজার শহরের চিকিৎসকরা বলছেন মৃতের সংখ্যা আরও বেশি হবে। কারণ যাদের হাসপাতালে নেওয়া যায়নি বা যারা ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছে তাদের গণনা সম্ভব হয়নি।
গাজায় অতিকায় বোমা দিয়ে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এসব বোমার কোনোটির ওজন দুই হাজার পাউন্ড। এমন প্রায় পাঁচ শতাধিক অতিকায় বোমা দিয়ে গাজায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে প্রাণহানি যেমন বেশি হচ্ছে তেমনি ধ্বংসযজ্ঞ হচ্ছে বড় ধরনের। ইসরায়েল এমন শত শত বোমা গাজায় ছুড়েছে।
সমরবিদেরা বলছেন, এসব বোমা যেখানে আঘাত হানে তার আশপাশে এক হাজার ফুটের বেশি দূরত্বে থাকা লোকজনেরও প্রাণহানি নয়তো আহত হওয়ার ঘটে।
