বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশ না নেওয়াকে দুঃখজনক বলেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
তবে বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক বজায় রাখতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করবে তারা। একই সঙ্গে নির্বাচনী অনিয়মের সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ইউরোপের ২৭ দেশের এ জোট।
ইইউর পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান জোসেফ বোরেলের পক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে নির্বাচনের আগে ও পরে সহিংসতার নিন্দার পাশাপাশি সহিংসতা পরিহারে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া আইনের শাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিরোধী মতের কর্মীদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারকে সম্মান করার তাগিদ দিয়েছে ইইউ। বিরোধী দলের নেতাকর্মীর ওপর দমনপীড়ন ও তাদের গ্রেপ্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। নির্বাচনে সব দলের অংশ
বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, বহুদলীয় রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সমন্বিত রাখতে শান্তিপূর্ণ সংলাপকে উৎসাহিত করে ইইউ। এ জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে অংশ নিতে হবে। বিশেষ করে গণমাধ্যম, সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলো; যাতে কোনো বাধা ছাড়াই কার্যক্রম চালাতে পারে, সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। বিরোধী রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যম যেন কোনো ধরনের ‘সেন্সরশিপ’ বা প্রতিশোধের ভয় ছাড়াই কাজ চালাতে পারে, তার ব্যবস্থা করতে হবে।
ইইউ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জিএসপি প্লাস বা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাওয়াসহ রাজনৈতিক, মানবাধিকার, বাণিজ্য ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ককে চালিয়ে নেবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
