পুরাতন আলু ফুরিয়ে আসছে বাজারে নতুন আলু তাই কমতে শুরু করেছে আলুর দাম। ভোক্তা অধিকার মাঠে নামাতে আলুর সরবরাহ বেড়েছে এবং দামও কমা শুরু করেছে। তাই আলুর দাম কমছে, ফিরছে বাজারের নতুন রূপ আলু ব্যবসায়ীরা বলেছেন যে, পুরাতন আলুর মজুদ দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে ফুরিয়ে যেতে পারে। তাই পুরানো আলু সরবরাহ না করার চেষ্টা করছিল একটি চক্র। কিন্তু এখন সরকারের নির্ধারিত মূল্যে আলু বিক্রি করা হচ্ছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গত বৃহস্পতিবার নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা করেন। ওইদিনই আলুর দাম নির্ধারণ করে দেয় সরকার। সরকার আলু প্রতি কেজি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে দাম নির্ধারণ করে দেয়।
সরকারী মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করতে সরকার ভোক্তা অধিদপ্তর এর পাশাপাশি সকল জেলা প্রশাসকদেরকে বাজার মনিটরিং করতে নির্দেশ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রি।
কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, প্রতি কেজি আলুতে উৎপাদন খরচ সাড়ে ৯ টাকা, হিমাগার ভাড়া ৬ টাকা, বস্তার মূল্য ১.৪০ টাকা, পরিবহন, লোডিং ও আনলোডিং ১ টাকা। অথচ মৌসুমের শেষে এসে সেই আলু বিক্রি ৪০ টাকা ছাড়িয়েছে। তবে কয়েকদিন ধরে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কঠোর মনিটরিংয়ের কারণে আলুর দাম কিছুটা কমতে শুরু করেছে। সরকার আলুর দাম বেঁধে দেয়ার পরই সিন্ডিকেট ভাঙতে আদাজল খেয়ে মাঠে নেমেছে ভোক্তা অধিদপ্তর। চলতি মাসে আলুর অবৈধ মজুদসহ বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য কমছে ।

