ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জে চলন্ত সোহাগ পরিবহনের একটি বাসে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী প্রাণে বেঁচে গেলেও তাড়াহুড়ো করে অবতরণের সময় অন্তত দশজন আহত হন।
রোববার (৮ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
বাসের যাত্রী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে সোহাগ পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব-১৫-৯২৫৮) ৪০-৪২ জন যাত্রী নিয়ে রাজধানীর কমলাপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দিকে যাচ্ছিল। পথে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রূপগঞ্জের কর্ণগোপ এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ গাড়িতে আগুন দেখে যাত্রীরা চিৎকার শুরু করে। এ সময় চালক রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে দেন। এর পরই পুরো বাসে আগুন ধরে যায়। আতঙ্কিত যাত্রীরা জানালা-দরজা থেকে লাফ দিলে অন্তত দশজন আহত হয়। সেই সময়ে, পাশের সান ফ্রান্সিসকো টেক্সটাইল মিলের নিজস্ব ফায়ার ডিপার্টমেন্ট এসে প্রায় ২০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে বাসের অধিকাংশ পুড়ে গেছে। স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের গন্তব্যে পৌঁছেছেন।
এসএফ টেক্সটাইলের অ্যাডমিন ফয়সাল ভূঁইয়া বলেন, ‘রাস্তার পাশেই আমাদের কারখানা। হঠাৎ দেখি একটি বাসে আগুন জ্বলছে। আমি তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের কারখানার নিজস্ব অগ্নিনির্বাপক টিমকে নিয়ে ২০ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। এ ঘটনায় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে কয়েকজন আহত হয়েছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তারা বাড়ি ফিরে গেছেন।’
বিষয়টি নিশ্চিত করে রূপগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আতাউর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বাসে আগুন লেগেছে। তবে এই ঘটনায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাসটি আটক করা হয়েছে।’
রূপগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল করিম জানান, পুড়ে যাওয়া বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে। আগুন লাগার কারণ এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি। কারণটা জানার চেষ্টা করছি।
