বাহিরের নকশা করা হয়েছে জাতীয় সংসদ ভবন ও ভেতরের পথচারীদের পারাপারের নকশা করা হয়েছে পদ্মা সেতুর আদলে। উন্নত প্রযুক্তি, পথচারীবান্ধব রাজধানীর সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এ ফুটওভার ব্রিজটি তৈরি করা হয়েছে ফার্মগেটে। নির্মাণকাজ করা কনফিডেন্স গ্রুপের টিম লিডার ইপিসি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, স্টিল স্ট্রাকচারগুলো প্রায় শতবছরেও কোনো সমস্যা হয় না। এটির স্থায়িত্ব অনেক বেশি হয়। এটি শুধু দৃষ্টিনন্দনই নয়, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এতে। আজ রবিবার ১১টার দিকে এটি উদ্বোধন করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
রাজধানীর কর্মমুখর ও ব্যস্ত সড়কের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ফার্মগেট এলাকা। মেট্রোরেল ও এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় আরও চাপ বাড়বে এ এলাকায়। যার কারণে আগের ব্রিজটি ভেঙে নতুন এ ফুটওভারব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অধীনে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড।
গত বছরের মে মাসে ফার্মগেট ফুটব্রিজের কাজ শুরু হয়। এটি ঢাকার এই আকারের প্রথম পথচারী সেতু এবং এটি প্রায় 200 বিলিয়ন ইয়েন ব্যয়ে নির্মিত হয়েছিল। ঠিকাদার কনফিডেন্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার এই সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে।
এ ব্রিজটির হাঁটার পথ প্রায় ১৮ ফুট চওড়া করে তৈরি করা হয়েছে। রয়েছে ছয়টি পকেট করিডোর, যেখানে দাঁড়িয়ে মানুষ শহরকে উপভোগ করতে পারবে। যা হাঁটার পথে বাধা সৃষ্টি করবে না।
এমন চমৎকার দৃষ্টিনন্দন ফুটওভারব্রিজে খুশি নগরবাসী। তবে তাদের দাবি, এটি যেন হকারদের দখলে না চলে যায়। এ জন্য কর্তৃপক্ষ যেন সজাগ থাকে। পথচারীদের পারাপারের নকশা
নগরবিদরা বলছেন, এমন দৃষ্টিনন্দন স্থাপনা যদি হকারদের দখলে চলে যায়। তাহলে এটির সুফল পাবেন না পথচারীরা। এ বিষয়ে ডিএনসিসির ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরিদুর রহমান খান ইরান বলেন, এ ব্রিজে হকার বসার কোনো সুযোগ নাই। আমরা কাউকেই এ ব্রিজে বসতে দেব না।
এ বিষয়ে উত্তর সিটির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ব্রিজটি রবিবার উদ্বোধন করা হবে। দৃষ্টিনন্দন এ ব্রিজটি জনসাধারণের চলাচল আরও সহজ করবে।
