স্বাধীনতার মহান স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মবার্ষিকী আজ। শিশু ও তরুণদের শিশু রাসেলের জীবনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে তার জন্মদিনকে “শেখ রাসেল দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আজ তৃতীয়বারের মতো শেখ রাসেল দিবস পালিত হচ্ছে রাজ্যে।
এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘শেখ রাসেল দীপ্তিময়, নির্ভীক নির্মল দুর্জয়’। ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িতে রাত দেড়টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল জন্মগ্রহণ করেন। জাতীয়ভাবে নানা আয়োজনে একযোগে সারা দেশে এবং বিদেশস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে পালিত হবে শেখ রাসেল দিবস-২০২৩।
শেখ রাসেলের জন্ম নিয়ে ভাইবোনদের মধ্যে সে কী উত্তেজনা! রাসেলের জন্মের আগে দুই বোন ভেবেছিলেন, বোন হলে তারা দলে ভারী হবেন। আর ভাইয়েরা ভেবেছিলেন, ভাই হলে তাদের দল ভারী হবে। এই নিয়ে ভাইবোনদের মধ্যে যেন পাল্লা লেগে গিয়েছিল। সবাই ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে জেগে থাকে নতুন অতিথির আশায়। অপেক্ষার পালা শেষ হলো। খবর এলো তাদের ভাই হয়েছে, তখন সবকিছু ভুলে সবাই আনন্দে আত্মহারা। মাথাভরা কালো চুল, তুলতুলে শরীর, অপূর্ব মুখচ্ছবি। অনেক বছর পর ছোট্ট একটি শিশু তাদের ঘর আলো করে এসেছে। সবার মধ্যে যেন খুশির জোয়ার বইতে থাকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মানবতার শত্রু ঘৃণ্য ঘাতকদের নির্মম বুলেটের হাত থেকে রক্ষা পাননি বঙ্গবন্ধুর এই শিশুপুত্র শেখ রাসেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নরপিশাচেরা নিষ্ঠুরভাবে তাকেও হত্যা করেছিল। শেখ রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল। স্বাধীনতার মহান স্থপতি
আজ শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, শেখ রাসেলকে হত্যার মধ্য দিয়ে ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধিকারদের নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা সফল হয়নি। রাসেল আজ বিশ্বে অধিকারবঞ্চিত শিশুদের প্রতীক ও মানবিক সত্তা হিসেবে সবার মাঝে বেঁচে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
