গাজা উপত্যকায় জিম্মি হওয়া আমেরিকান জুডিথ ও তার মেয়ে নাটালি রানানকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলন হামাস মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বিডেনের সরকারের ফ্যাসিবাদী দাবি প্রত্যাখ্যান করতে শুক্রবার তাকে মুক্তি দিয়েছে। তারা ৭ অক্টোবর থেকে হামাসের হেফাজতে ছিলেন
এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়। এতে বলা হয়, মুক্তি পাওয়ার পর ওই মার্কিন নারী ও তার মেয়ে শুক্রবার গভীর রাতে ইসরাইলে পৌঁছান।
ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জুডিথ (৫৯) ও তার মেয়ে নাটালি রানান (১৭) দ্বৈত আমেরিকান-ইসরাইলি নাগরিক ছিলেন। শুক্রবার গভীর রাতে তাদের রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটির কাছে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। গাজা উপত্যকায় জিম্মি
এ দিকে জুডিথ ও তার মেয়ে নাটালিকে মুক্তি দেওয়ার আগে টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বিবৃতি দিয়েছে হামাস। এতে বলা হয়েছে, কাতারের প্রচেষ্টায় আল-কাসাম ব্রিগেডস মানবিক কারণে দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং তার ফ্যাসিবাদী প্রশাসনের দাবিগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন ছিল; তা প্রমাণ আমেরিকার জনগণ এবং বিশ্বকে প্রমাণ করতে ওই দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অনেক দিনের মধ্যস্থতার ফলে এই মুক্তি মিলেছে। কাতার আশা করে- সংলাপের মাধ্যমে সব বেসামরিক জিম্মিদের মুক্তি দেওয়া হবে।
টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া সেই বিবৃতিতে হামাস আরও জানিয়েছে, কাতারের প্রচেষ্টায় আল-কাসাম ব্রিগেডস মানবিক কারণে দুই মার্কিন নাগরিককে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে আমেরিকার জনগণ এবং বিশ্ব জানুক বাইডেনের দাবিগুলো ভিত্তিহীন।
মেয়ে ও স্ত্রীর মুক্তির খবরে বেশ খুশি নাতালির বাবা উরি রানান।
তিনি জানিয়েছেন, ফোনে মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে তার। মেয়েকে খুব ভালো ও খুব উচ্ছ্বসিত শোনাচ্ছিল ফোনে।
নাতালির চাচা আব্রাহাম জমির বলেছেন, দুই স্বজনকে নিরাপদে ছেড়ে দেওয়ায় তাদের পরিবারে আনন্দের বন্যা বইছে। তবে এখনও অনেক পরিবারের প্রিয়জনকে জিম্মি করে রাখা হয়েছে এবং তাদের মুক্তির জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব।
