বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কুয়েতে বিদেশী বাংলাদেশী শিশু ও যুবকদের জন্য একটি চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বাংলাদেশ দূতাবাসের মুজিব কর্নারে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
উন্মুক্ত, বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, শেখ রাসেল ও উন্নত বাংলাদেশ এই বিষয়ে বয়স ভিত্তিতে চারটি গ্রুপে শতাধিক শিশু-কিশোর এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। চারটি বিভাগের মধ্যে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন কাউন্সেলর (পাসপোর্ট ও ভিসা) মো. ইকবাল আখতার এবং প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান নিয়াজ মোর্শেদ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
এছাড়া, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু-কিশোরদের জন্য সৌজন্য পুরস্কার ও সার্টিফিকেট দেওয়া হয়। এসময় দূতাবাসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
বরাবরই লক্ষ্য করেছে সুপ্রভাত বাবা তার কোনো আবদারই রক্ষা করেনি। বাবার কাছ থেকে বারবারই নিরাশ হতে হয়েছে তাকে। যখনি বাবা অফিসের কাজে ট্যুরে গেছে শহর ছেড়ে, সুপ্রভাত এটা-ওটার বায়না ধরে আনতে বলেছে, কখনো মোমে বসানো প্রজাপতি, চাবি দেওয়া পুতুল, লুডু খেলার সরঞ্জাম, ম্যাগনেটিক দাবার গুঁটি কিংবা প্রিয় কোনো খাবার; কিন্তু কোনোবারই বাবা তা নিয়ে আসেনি। অজুহাত দিয়েছে দোকান বন্ধ ছিল, সময় পাইনি কিংবা এটা পাওয়া যায়নি ইত্যাদি। তাছাড়া বাবার সঙ্গে শপিংয়ে গেলেও পছন্দমাফিক কোনো সময়েই কিছুই কিনতে পারেনি। জোর দাবি জানালে কেবলই বলেছে, পরে, পরে কিনো।
বাবার সঙ্গে অনেকবারই সুপ্রভাত আড়ি পেতে থেকেছিল কিন্তু এতেও কোনো কাজ হয়নি। এনিয়ে সুপ্রভাতের মনে একটা দুঃখ-কষ্ট চেপে আছে। তার এই কষ্টের কথা ফুফুকেও জানিয়ে ছিল কিন্তু ফুফুও একই কথা প্রতিবারই বলেন, দেবে, অবশ্য কিনে দেবে, আজ দেয়নি তো কী হয়েছে, আরেক দিন দেবে। বাবার মতো মাটাও তার কেমন জানি। কেবল বাবার কথার সঙ্গে সায় মেলায়। ভালো লাগে না সুপ্রভাতের।
