ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় টানা ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল । রোববার ভোরেও ইসরায়েলি বোমা হামলার খবর মিলেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা রোববার সকালে হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের সবশেষ তথ্য সংবলিত প্রতিবেদনে বলেছে, গাজার নিয়ন্ত্রণকারী হামাস কাতারকে জানিয়েছে, তারা ‘মানবিক কারণে’ দুজন ইসরায়েলি বন্দিকে হস্তান্তর করতে চায়। কিন্তু ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ তাদের গ্রহণের বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছে।
ইসরায়েল গাজায় স্থলপথে পুরোদস্তুর অভিযানের আগমুহূর্তে আকাশপথে বোমা হামলা আরও বাড়াতে যাচ্ছে। এটি মূলত হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের পরবর্তী ধাপ। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর এক কর্মকর্তা এমনটি জানিয়েছেন।
ইসরায়েলি বিমান হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। যুক্তরাজ্যেই লক্ষাধিক মানুষ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে। সবার একই দাবি, ইসরায়েল যেন গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করে।
গতকাল শনিবার মিসর হয়ে গাজায় ত্রাণের ট্রাক ঢুকতে শুরু করেছে। এসব ট্রাকে খাদ্য ও ওষুধ রয়েছে। তবে কোনোটিতে জ্বালানি নেই। মানবিক সাহায্য সংস্থাগুলো বলছে, এই ২০ ট্রাক ত্রাণ যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের চাহিদার কোনো অংশই পূরণ করতে পারবে না। ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েল
গদ ৭ অক্টোবর শনিবার ভোরে গাজা থেকে হামাস ইসরায়েলে রকেট হামলা করলে ইসরায়েল গাজায় বিমান হামলা শুরু করে এবং এতে অন্তত চার হাজার ৩৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে হামাসের হামলায় এক হাজার ৪০০ জনের বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন।
এর আগে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চল থেকে হামাস বন্দুকধারীরা অন্তত ১৫০ জনকে জিম্মি করে নিয়ে গিয়েছিল, যাদের গাজার বিভিন্ন গোপন জায়গায় রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে নারী, শিশু ও বয়স্করাও রয়েছেন।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ইসরায়েল যদি এখন গাজায় পূর্ণ মাত্রার অভিযান চালায়, তাহলে এসব জিম্মি বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে?
ইসরায়েল একটি স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এরই মধ্যে গাজা সীমান্তে সেনা মোতায়েন, ভারী আর্টিলারি এবং ট্যাংক জড়ো করেছে তারা।
ইসরায়েলে হামাসের সশস্ত্র সদস্যরা অতর্কিত হামলা চালানোর পর থেকে গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল।
