নিয়মিত বিভিন্ন হোটেলে গিয়ে পেটপুরে খেতেন কিন্তু বিল মেটানোর সময়ই হতো হার্ট অ্যাটাক! অপ্রস্তুত হোটেল কর্তৃপক্ষ ওই অবস্থায় বিলের কথা মুখেও আনতে পারতেন না। উল্টো তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করতেন।
দিনের পর দিন এভাবেই চলছিল তার লোক ঠকানো। এভাবে অন্তত ২০টি হোটেলের মালিককে বোকা বানানোর পর ২১ নম্বরে ধরা পড়ে গেলেন! বর্তমানে তার ঠাঁই হয়েছে জেলে।
অভিযুক্ত পঞ্চাশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পেনের কোর্সটা ব্ল্যাঙ্ক এলাকার ২০টি হোটেলের সঙ্গে এভাবে প্রতারণা করেছেন। অপ্রস্তুত হোটেল কর্তৃপক্ষ
জানা গেছে, সব জায়গায় গিয়েই পেটপুরে খাওয়া দাওয়ার পর বিল দেওয়ার সময় হলে হার্ট অ্যাটাকের ভান করতেন, জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যেতেন। স্বাভাবিকভাবেই ওই অবস্থায় মানবিক রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করতেন। ফলে আর বিল দিতে হত না তাকে।
দিনের পর দিন এভাবেই চলছিল তার লোক ঠকানো। এভাবে অন্তত ২০টি হোটেলের মালিককে বোকা বানানোর পর ২১ নম্বরে ধরা পড়ে গেলেন! বর্তমানে তার ঠাঁই হয়েছে জেলে।
অভিযুক্ত পঞ্চাশ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ। অভিযুক্ত ব্যক্তি স্পেনের কোর্সটা ব্ল্যাঙ্ক এলাকার ২০টি হোটেলের সঙ্গে এভাবে প্রতারণা করেছেন।
জানা গেছে, সব জায়গায় গিয়েই পেটপুরে খাওয়া দাওয়ার পর বিল দেওয়ার সময় হলে হার্ট অ্যাটাকের ভান করতেন, জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে পড়ে যেতেন। স্বাভাবিকভাবেই ওই অবস্থায় মানবিক রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করতেন। ফলে আর বিল দিতে হত না তাকে।
