বিশ্বকাপে শুরুটা ভালো হয়নি

এবারের বিশ্বকাপে শুরুটা ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। লঙ্কানরা পরপর তিনটি ম্যাচ হেরেছে, যা বাকি চারটি ম্যাচের সমীকরণকে অনেক জটিল করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত সাদিরা সামারাউইক্রমার ব্যাটে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে জয় পায় কুশল মেন্ডিসের দল। তিনি ডাচদের পাঁচ উইকেটে পরাজিত করেন।

লখনৌর ভারতরত্ন শ্রী অতল বিহারী বাজপেয়ী ইকানা স্টেডিয়ামে রান তাড়ায় শ্রীলঙ্কার শুরু হয় নড়বড়ে। জোড়া আঘাতে আরিয়ান দত্ত তুলে নেন শ্রীলঙ্কার ব্যাটিংয়ের দুই স্তম্ভ কুশল পেরেরা ও কুশল মেন্ডিসকে। পঞ্চম ওভারে আউট হন পেরেরা আর দলীয় স্কোর ৫০ ছোঁয়ার পর ফেরেন অধিনায়ক মেন্ডিস। এরপর সাদিরা সামারাবিক্রমার সঙ্গে হাফসেঞ্চুরির জুটি গড়ে দলীয় স্কোর ১০০ পেরিয়ে আউট হন পাথুম নিশাঙ্কা। বিদায়ের আগে ৫২ বলে ৯ বাউন্ডারিতে ৫৪ রান করেন তিনি। এরপর আশালঙ্কার লঙ্গে সামারাবিক্রমার আরেকটি বড় জুটি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের আভাস দেয়।

চতুর্থ উইকেটে তারা দুজনে মিলে ৭৭ রানের জুটি গড়েন। আশালঙ্কাকে বোল্ড করে এই জুটিও ভাঙেন আরিয়ান দত্ত। বিদায়ের আগে ৬৬ বলে ২ চার ও ছক্কায় ৪২ রান করেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। তবে সামারাবিক্রমার অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংসে ডাচদের বিপক্ষে জয় পেতে সমস্যা হয়নি লঙ্কানদের। নেদারল্যান্ডসের পক্ষে আরিয়ান দত্ত ৪৪ রানে তিন উইকেট লাভ করেন। আরেক অফস্পিনার কলিন অ্যাকারম্যান পান ১টি উইকেট।

এর আগে সাইব্রেন্ট এনগেলব্রেচ্ট এবং লগান ফন বিকের ফিফটিতে ২৬২ রানের লড়াকু পুঁজি গড়ে নেদারল্যান্ডস। ৭ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। ফিরে যান সিমি সিং। ৪৮ রানে দলটি হারায় দ্বিতীয় উইকেট। আউট হন ম্যাক্স ওডড (১৬)। এরপর একে একে কলিন আকারম্যান (২৯), ব্যাস ডি লিড (২) ও তেজা নাদামানু সাজঘরে ফিরে যান। অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ড ১৬ রান করে ফিরলে একশ’র আগে ছয় উইকেট হারায় ডাচরা। সেখান থেকে এংগেলব্রেচ্ট ৮২ বলে চারটি চার ও এক ছক্কায় ৭০ রান করেন। ফন বিক ৭৫ বলে এক চার ও ছক্কায় খেলেন ৫৯ রানের ইনিংস।  বিশ্বকাপে শুরুটা ভালো হয়নি

শ্রীলঙ্কার হয়ে পেসার দিলশান মাসুশঙ্কা ও কাশুন রাজিথা চারটি করে উইকেট নেন। তারা যথাক্রমে ৪৯ ও ৫০ রান খরচ করেন। একটি উইকেট নেন মহেশ থিকশানা।

পাকিস্তান সেমিফাইনাল খেলার যোগ্য?

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments