পাকিস্তানের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ । গত বছরের জুলাই থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডলারের বিপরীতে সবচেয়ে বেশি মান কমেছে শ্রীলংকান রুপির। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানি রুপি। এর পরেই রয়েছে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার অবস্থান। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মুদ্রার মান ডলারের বিপরীতে তুলনামূলকভাবে কম কমেছে। ওইসব দেশের মধ্যে জাপানের মুদ্রার মান একটু বেশি কমেছে। সৌদি আরব, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মুদ্রার মান ডলারের বিপরীতে কমেনি, বরং সামান্য বেড়েছে। তবে ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরোসহ ওই অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান বেশ কমেছে।

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের (আইএমএফ) এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনের ডেটাবেজে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মানের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

 এতে পণ্যের সরবরাহও বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে বাড়ে পণ্য পরিবহণ ভাড়াসহ জাহাজ ভাড়া। এতে বিভিন্ন দেশের পণ্য আমদানি ব্যয় বেড়ে যায়। এর প্রভাবে বেড়ে যায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের দাম। ফলে একদিকে মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে, অন্যদিকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমেছে। কিছু দেশ মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলেও ডলারের দাম এখনো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। বাংলাদেশসহ স্বল্প-আয়ের দেশগুলোয় মূল্যস্ফীতিসহ ডলারের দামে ঊর্ধ্বগতি এবং ডলারের তীব্র সংকট অব্যাহত রয়েছে।

অর্থনৈতিক সংকটে দেউলিয়া হওয়ার কারণে শ্রীলংকার মুদ্রা রুপির দাম ব্যাপকভাবে কমে যায়। গত বছরের জুলাইয়ে ডলারের বিপরীতে শ্রীলংকান রুপির দাম ছিল ১৯৯ টাকা ৯০ পয়সা। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬৩ টাকা ৩০ পয়সায়। আলোচ্য সময়ে এর মান কমেছে ৮১ দশমিক ৭৪ শতাংশ, যা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।  পাকিস্তানের পরেই রয়েছে বাংলাদেশ

একই সময়ে পাকিস্তানও বেশ অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে। এতে দেশটির মুদ্রা রুপির দামে বড় ধরনের পতন ঘটে। গত বছরের জুলাইয়ে ডলারের বিপরীতে রুপির দাম ছিল ১৬২ টাকা ৫১ পয়সা। গত সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৯৪ টাকা ২৯ পয়সায়। আলোচ্য সময়ে দেশটির মুদ্রার মান কমেছে ৮১ দশমিক ০৯ শতাংশ। এর পরেই কমেছে জাপানের মাদ্রা ইয়েনের দাম। তারা মুদ্রাকে প্রতিযোগিতামূলক রাখতে এর বিনিময় হার নমনীয় রেখেছে। আলোচ্য সময়ে জাপানি মুদ্রার মান কমেছে প্রায় ২২ শতাংশ।

রেনেটা আট বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লভ্যাংশ দেবে 

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments