চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা-ইলিশ ধরায় ৪৯ জেলেকে নৌ-পুলিশ এবং সাত জেলেকে আটক করেছে সদর উপজেলা টাস্কফোর্স। নৌ-পুলিশের আটকদের মধ্যে ২৭ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড, এক জনকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং দুই জন অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়। বাকিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য জানান চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নৌ-পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলে অভিযানে ২৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল, ৩৮২ কেজি ইলিশ, ২১টি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় মামলা হয়েছে পাঁচটি এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয় চারটি। জব্দকৃত ইলিশ স্থানীয় এতিম খানায় বিতরণ এবং জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। মেঘনা নদীর অভয়াশ্রম
সদর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান জানান, একই সময়ে চাঁদপুর সদর এলাকায় মেঘনা নদীতে উপজেলা টাস্কফোর্সের অভিযানে আটক সাত জেলের মধ্যে তিন জনকে এক মাস করে কারাদণ্ড এবং চার জনকে ৫ হাজার টাকা করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে এসব তথ্য জানান চাঁদপুর নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অভিযান চালিয়ে ৪৯ জেলেকে নৌ পুলিশ এবং ৭ জেলেকে সদর উপজেলা টাস্কফোর্স আটক করেছে। তা ছাড়া নৌ পুলিশ চাঁদপুর অঞ্চলের অভিযানে ২৪ লাখ মিটার কারেন্ট জাল, ৩৮২ কেজি ইলিশ, ২১টি মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়েছে।
