আগামীকাল সারা দেশে

আগামীকাল সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে বিএনপি। শনিবার বিকেলে মহাসমাবেশ থেকে এ ডাক দেয় দলটি।

এর আগে সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে মহাসমাবেশ করছে বিএনপি। নির্ধারিত সময়ের সোয়া এক ঘণ্টা আগে আজ শনিবার দুপুর পৌনে ১টায় নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এই মহাসমাবেশ শুরু হয়।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির যৌথ উদ্যোগে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে এবং উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক ও দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব লিটন মাহমুদের যৌথ সঞ্চালনায় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন। আগামীকাল সারা দেশে

এদিকে সমাবেশের অনুমতি না পেলেও মতিঝিলের শাপলা চত্বরের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে জামায়াতের নেতাকর্মীরা। তবে পুলিশের তৎপরতার কারণে শাপলা চত্তরে ঢুকতে পারছে না তারা। এ জন্য মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা দুপুর ১২টা ৪১ মিনিটে আরামবাগে প্রবেশ করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ হারালে আরামবাগে যান তারা।

শনিবার দলীয় কার্যালয়ের সামনে সরকার পতনের এক দফা দাবিতে মহাসমাবেশের আয়োজন করে বিএনপি। এতে অংশগ্রহণ করতে সকাল থেকেই নয়া পল্টন এলাকায় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত হন; যা ফকিরাপুল হতে বিজয়নগর পানির ট্যাংকি ও কাকরাইল মোড় পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। দুপুর ১টার পর কাকরাইল মোড়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশের পক্ষ হতে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়া হয় বলে অভিযোগ করেন বিএনপি কর্মীরা।

এদিকে কাকরাইল মোড়ে ছোড়া টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দে মঞ্চের সামানে নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে যান এবং মঞ্চের অপর পাশের রাস্তা থাকা কর্মীরা সরে ফকিরাপুলের দিকে যেতে থাকেন। পরক্ষণেই আবার কিছু কর্মী লাঠি হাতে সংঘর্ষের স্থানের দিকে যেতে থাকেন। আর কিছু নেতাকর্মী অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য উদ্বিগ্ন অবস্থায় মঞ্চের সামনেই দাঁড়িয়ে থাকেন। এসময় মঞ্চ থাকা নেতাকর্মীরা বক্তব্য বন্ধ রাখা হয়।

রাজারবাগ হাসপাতালে আগুন

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments