ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির চেষ্টায় মধ্যস্থতা করছে কাতার। যদিও যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করে আসছে ইসরায়েল। এদিকে ফিলিস্তিনের গাজায় বিপর্যয় পরিস্থিতি শুরু হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে জাতিসংঘ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির আলোচনা দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে। এই অগ্রগতিকে ৩ সপ্তাহ ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ক্ষেত্রে নতুন মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার জবাবে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
এমন পরিস্থিতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কাতার। কোথায়, কীভাবে এই আলোচনা হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও দোহা ইন্সটিটিউটের ইন্টারন্যাশনাল কনফ্লিক্ট রেজোল্যুশন অনুষদের ডিন ইব্রাহিম ফ্রাইহাত বলেন, ‘সম্ভাব্য যুদ্ধ বিরতি ও বন্দি বিনিময়ের ক্ষেত্রে আলোচনায় বড় অগ্রগতি হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জানি, ইসরায়েল যেকোনো ধরনের যুদ্ধবিরতি দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করে আসছে, এমনকি মানবিক যুদ্ধবিরতিও। ইউরোপীয় ইউনিয়ন গত বৃহস্পতিবার এক সভায় মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছে। এতটুকু বলতেও তারা কিছুটা লজ্জিত। সে অর্থে ইইউ থেকে ইসরায়েলের ওপর তেমন বড় ধরনের চাপ নেই। ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েল
এছাড়া, ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য পরিচালিত জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মসংস্থান সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ’র প্রধান ফিলিপ্পে লাজ্জারিনি বলেন, ‘আমরা যখন বলছি গাজার বেসামরিক লোকজন প্রাণ হারাচ্ছেন, শুধু গোলাবর্ষণ আর বিমান হামলাতেই তারা মারা যাচ্ছেন না, গাজায় চাপিয়ে দেওয়া অবরোধের কারণে অচিরেই অনেকেরই প্রাণহানি হবে।
