চলতি বিশ্বকাপে খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই শ্রীলঙ্কা। ৬ ম্যাচ খেলে চার ম্যাচে হার লঙ্কানদের । দলটি গতকাল হেরেছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এরইমধ্যে লঙ্কান ক্রিকেটে আরেকটা দুঃসংবাদ। সোমবার প্রয়াত হয়েছেন দেশটির ক্রিকেটের আইকনিক সমর্থক পার্সি আবেসেকেরা। অবশ্য আফগানদের কাছে হার আর দেখা হয়নি পার্সি আবেসেকেরার।
শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন এই পার্সি আবেসেকেরা। সেই যৌবন থেকে বার্ধক্য- বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শ্রীলঙ্কার ম্যাচ মানেই মাঠে সমর্থন দিতে হাজির থাকতেন পার্সি। বয়সের ভারও তাকে কাবু করতে পারেনি। লঙ্কান ক্রিকেটের প্রথম সুপার ফ্যান ছিলেন। দেশে-বিদেশে যেখানেই শ্রীলঙ্কা খেলতে যেতো, হাজির হয়ে যেতেন পার্সি আবেসেকেরা।
গতকাল সোমবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে ৮৭ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন এই ক্রিকেট অনুরাগী। তার প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট মহলে। পার্সি আবেসেকেরা গোটা বিশ্বেই ‘আঙ্কেল পার্সি’ নামে পরিচিত ছিলেন।
‘আঙ্কেল পার্সির’ প্রয়াণে শোকস্তব্ধ শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটারেরাও। সনাৎ জয়াসুরিয়া, অর্জুন রাণাতুঙ্গা, কুমার সাঙ্গাকারা শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডেও শোক জানিয়েছে। শোকবার্তা পাঠিয়েছে বিসিসিআইও।
ছন্দময় ইংরেজি-ভাষার ‘চ্যান্ট’ এর জন্য তিনি বিখ্যাত, এবং খেলোয়াড়দের সাথে মজাদার বিভিন্ন বিষয় আদান-প্রদানের জন্য, যা শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার এবং বিদেশি উভয়ের সাথেই করতেন। পার্সি বিশেষ করে শ্রীলঙ্কার মাঠে প্রিয় ছিলেন, তবে শ্রীলঙ্কা যেখানেই সফর করতেন, বিশেষ করে টেস্ট ম্যাচের সময় তাকে প্রায়শই দেখা যেত। তিনি ট্রাভেলিং-সুপারফ্যানদের প্রথম প্রজন্মের মধ্যে ছিলেন। চার ম্যাচে হার লঙ্কানদের
তিনি দশকের পর দশক ধরে অনেক শীর্ষ ক্রিকেটারের প্রশংসা পেয়েছেন। ১৯৮০-এর দশকে, কিউই গ্রেট মার্টিন ক্রো খেলার প্রতি পার্সির আবেগের জন্য তাঁকে ম্যান অফ দ্য ম্যাচ ট্রফি দিয়েছিলেন। এবং তারপরে এই বছরের এশিয়া কাপে ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা তাঁর বাড়িতে যান।
