খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এছাড়া, চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমন সংগ্রহ মৌসুম শুরু হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।
বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সরকারি গুদামে ১৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৯ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৫ লাখ ১৬ হাজার ৪৩ টন চাল, এক লাখ ৫২ হাজার ২৮৩ টন গম ও এক হাজার ১৮৮ টন ধান। চলতি মাসের মাঝামাঝি সময়ে আমন সংগ্রহ মৌসুম শুরু হতে পারে বলেও জানান তিনি।
নুরুন্নবী চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে সাধন চন্দ্র মজুমদার জানান, দেশে খাদ্য নিরাপত্তা বিবেচনা করে নিরাপত্তা মজুত ১০.৫০ লাখ টনের পরিবর্তে স্বাভাবিক সময়ের জন্য ১৩ লাখ টন ও সংকটকালীন সময়ে ১৪ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির লক্ষ্যমাত্রা সরকারের রয়েছে। এর মধ্যে জি-টু-জি পদ্ধতিতে ভারত, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার থেকে ইতোমধ্যে ৭ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানুয়ারি পর্যন্ত ৩ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন চাল সরকারি সংরক্ষণাগারে জমা হয়েছে।
বেসরকারি পর্যায়ে ৪৩১টি প্রতিষ্ঠানকে ১৫ লাখ ৫৭ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়ার কথাও সংসদকে জানান খাদ্যমন্ত্রী। খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র
তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরে জি-টু-জি পদ্ধতিতে রাশিয়া এবং ইউক্রেন ও বুলগেরিয়া থেকে ৬ লাখ ৫০ হাজার লাখ মেট্রিক টন গম আমদানির পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ৪ লাখ ২৮ হাজার মেট্রিক টন গম সরকারি গুদামে আছে। অবশিষ্ট চাল ও গম ‘শিগগিরই’ পাওয়া যাবে।
