দুই দিনের ব্যবধানে হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি বাজারে প্রতি কেজিতে পেঁয়াজে দাম বেড়েছে ৪০-৪৫ টাকা। দুই দিন আগে যে পেঁয়াজ পাইকারিতে ৫০-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, বর্তমানে সেই পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৯৫-১০০ টাকা দরে। হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি পেঁয়াজ আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন জানান, ভারতের রপ্তানি মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কারণে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়বে। গত কয়েক দিন ধরেই ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজের দাম ঊর্ধমুখী।
২৫ রুপি কেজি দরের পেঁয়াজ এখন কিনতে হচ্ছে ৫০ রুপি কেজি দরে। এতে সবমিলিয়ে পেঁয়াজ আমদানি করতে প্রতি কেজিতে খরচ পড়বে ৮৮ টাকা। তিনি জানান, আমরা যে এলসি দিয়েছি সেগুলো বর্তমানে বাতিল করতে হচ্ছে। নতুন করে এলসি করার পরিকল্পনা করছি।
কিন্তু ব্যাংকগুলো ডলার সংকটের অজুহাতে নতুন এলসি খুলছে না। ব্যাংকগুলো যদি এলসি না দেয় বা সরকার ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা না দেয়, তাহলে পেঁয়াজের দাম আরও বাড়বে। আর ব্যাংকগুলো যদি আমদানিকারকদের নতুন করে এলসি দেয়, তাহলে শুধু ভারত নয়, অন্যান্য দেশ থেকেও পেঁয়াজ আমদানি করা সম্ভব হবে। হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি
ঝিনাইদহের শৈলকূপায় প্রতি মণ পেঁয়াজের দাম এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ছোট মৌকুড়ি গ্রামের চাষি মুক্তার হোসেন বলেন, শনিবার ৩৫ কেজি পেঁয়াজ ৩ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছিলেন। মঙ্গলবার একই পেঁয়াজ ৪ হাজার ৮০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আজগর আলি বলেন, এখনো প্রায় দেড় হাজার টন পেঁয়াজ শৈলকূপার চাষি ও ব্যবসায়ীদের হাতে মজুত আছে।
