দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ১০ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট ১ হাজার ৩৮০ জন মারা গেলেন।
৩ নভেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আজ সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ৩৫৭ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৩ জনে পৌঁছেছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৬ হাজার ২৬৭ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন আছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সরকারি পরিসংখ্যান গত ২৪ বছরের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত
গত ২০ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ২১ জন মারা গেছেন, যা একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক মৃত্যু। এর আগেও, গত ২ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ২১ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইইডিসিআরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায় চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত ও মৃত্যুর সরকারি পরিসংখ্যান গত ২৪ বছরের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। গত বছর দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যুর (২৮১ জন) রেকর্ড হয়েছিল। এ ছাড়া ২০১৯ সালে মৃত্যু হয়েছিল ১৭৯ জনের। ২০২০ সালে ৭ জন ও ২০২১ সালে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় ১০৫ জনের।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৩ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৬ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩৮০ জন। এরমধ্যে ঢাকা সিটির ৮২০ জন এবং ঢাকা সিটির বাইরের ৫৬০জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ জুন মাস থেকে শুরু হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর মে মাস থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানা উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৩ জন। সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২ লাখ ৬৪ হাজার ৫১৬ জন। মারা গেছেন ১ হাজার ৩৮০ জন। এরমধ্যে ঢাকা সিটির ৮২০ জন এবং ঢাকা সিটির বাইরের ৫৬০জন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান জানান, ডেঙ্গু এখন সিজনাল নেই, সারা বছরই হচ্ছে। বৃষ্টি শুরু হলে এটা বাড়ছে। গত বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ জুন মাস থেকে শুরু হয়েছিল। কিন্তু চলতি বছর মে মাস থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশা নিরোধক ওষুধ ব্যবহারের পাশাপাশি সিটি করপোরেশনে পক্ষ থেকে সব জায়গায় প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে। একই সঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন বছরব্যাপী নানা উদ্যোগ নিলেও কীটতত্ত্ববিদ ড. মনজুর চৌধুরী বলছেন, মশানিধনে শুধু জেল-জরিমানা আর জনসচেনতনা বাড়িয়ে কাজ হবে না। সঠিকভাবে জরিপ চালিয়ে দক্ষ জনবল দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৩৫৫ জন ঢাকা মহানগরে এবং ১০০২ জন দেশের অন্যান্য বিভাগের হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
নতুন রোগীদের নিয়ে এ বছর সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৭৬ হাজার ১৬৩ জন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ২৮৭ জন ঢাকার এবং ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৭৬ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার।
গত এক দিনে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে ৪ জন ঢাকায় এবং ৬ জন ঢাকার বাইরে।
এ বছর সব মিলিয়ে যে ১৩৮০ জন মারা গেছেন, তাদের ৮২০ জন ঢাকায়, ৫৬০ জন ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে মারা গেছেন।
