আমদানি ব্যয়ের লাগাম টানা

ডলার সংকটের কারণে আমদানি ব্যয়ের লাগাম টানা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে ১ হাজার ৪৭৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করেছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা। এই অঙ্ক গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৩ দশমিক ৭৭ শতাংশ কম। তার পরও বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে আলোচিত সূচক বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন বা রিজার্ভ বাড়ছে না; উলটো কমছেই।

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ১৯ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি হয়েছিল। আমদানি কমায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেশ খানিকটা কমে এসেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮১ কোটি ৮০ লাখ (১.৮২ বিলিয়ন) ডলার। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৭৬ শতাংশ কম। ২০২২-২৩ অর্থবছরের এই তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৭৫৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

এই বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ১২ দশমিক ৯৩ বিলিয়ন ডলার আয় করেছেন রপ্তানিকারকরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই তিন মাসে পণ্য রপ্তানি থেকে ১১ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছিল। আমদানি ব্যয়ের লাগাম টানা

এ হিসাবেই চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতির পরিমাণ কমে ১ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে। ১৭ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছর শেষ হয়েছিল। তার আগের অর্থবছরে (২০২১-২২) অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে এই ঘাটতি ৩৩ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে উঠেছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যাল্যান্স অব পেমেন্ট) উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত ২০২২-২৩ অর্থবছরের এই তিন মাসে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকে ৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারের ঘাটতি ছিল।

বায়ু এবং সৌর শক্তি কোম্পানি লোকসানে

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments