নিজেদের হাতে আটক জিম্মিদের মধ্য থেকে ১০ থেকে ১৫ জনকে মুক্তি দিতে পারে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। আর এই ১০-১৫ জনকে মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমে গাজায় এক অথবা দুই দিনের যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে ইসরায়েল।
৮ নভেম্বর কাতারের একটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।
নাম গোপন রাখার শর্তে সূত্রটি বলেছে, ’১০ থেকে ১৫ জিম্মিকে ছাড়িয়ে নিতে কাতারের মধ্যস্থতায় ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় আলোচনা চলছে। তাদের মুক্তি দেওয়ার বদলে দুই বা এক দিনের যুদ্ধবিরতি হতে পারে।
গত ৭ অক্টোবর বিভিন্ন অবৈধ বসতিতে হামলা চালিয়ে ১ হাজার ৪০০ ইসরায়েলিকে হত্যা করা ছাড়াও প্রায় ২৫০ জনকে গাজায় ধরে নিয়ে আসে হামাস। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত মাত্র ৪ জনকে মুক্তি দিয়েছে তারা।
হামাস ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর গাজায় ১০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বেসামরিক মানুষ এত বেশি হতাহতের শিকার হওয়ায় গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে আরব দেশগুলো। তবে ইসরায়েল শর্ত দিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত হামাস সব জিম্মিকে ছেড়ে না দেবে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা কোনো যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে না।
ধারণা করা হচ্ছে, সে অবস্থান থেকে কিছুটা সরে এসে স্বল্পকালীন যুদ্ধবিরতিতে রাজি হতে পারে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী
আরব দেশগুলো যুদ্ধবিরতি চাইলেও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি হলে হামাস আবার সংঘটিত হবে এবং ইসরায়েলের ওপর হামলা চালাবে।
হামাসের জ্যেষ্ঠ একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ইসরায়েল এবং গাজার মধ্যে দু-এক দিনেরে মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত সেখানে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
তবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গতকাল বুধবার বলেছেন, ইসরায়েলের নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত তিনি অভিযান অব্যাহত রাখবেন।
