হাতে মারার পাশাপাশি এবার ফিলিস্তিনিদের ‘ভাতে মারতে’ সক্রিয় ইসরাইল। অধিকৃত ভূখণ্ডের বিভিন্ন আবাসন প্রকল্প এবং শিল্পক্ষেত্রে ‘ওয়ার্ক ভিসা’ নিয়ে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের এবার ছাঁটাই করতে চায় প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার। আর সেই জায়গায় সুযোগ দিতে চায় ভারতীয় শ্রমিকদের।
ইসরাইল বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হাইম ফেইগলিন কিছু দিন আগে আমেরিকার একটি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, সে দেশের নির্মাণশিল্পে কর্মরত ৯০ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে ছাঁটাই করা হবে। পরিবর্তে ভারত থেকে আনা হবে এক লাখ শ্রমিককে। অ্যাসোসিয়েশনের তরফে সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে বলে কয়েকটি ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানানো হয়েছে।
প্রকাশিত খবরে দাবি, ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে নয়াদিল্লির সাথে ‘ইতিবাচক’ আলোচনা হয়েছে তেল আবিবের। কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এর ফলে ভারত-ইসরাইল সম্পর্ক আরো নিবিড় হলেও ফিলিস্তিনসহ পশ্চিম এশিয়ার আরব দেশগুলোর ক্ষুব্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাতে মারার পাশাপাশি এবার
উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস গাজা ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলে হামলা চালানোর পরেই কড়া ভাষায় নিন্দা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জাতিসঙ্ঘ সাধারণ সভায় গাজা ভূখণ্ডে ইসরাইলি সামরিক অভিযান বন্ধের প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি থেকেও বিরত ছিল ভারত।
ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধের পরবর্তী পর্যায়টি “দীর্ঘমেয়াদী এবং কঠিন” হবে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এমন হুঁশিয়ারির মধ্যে গাজায় ইসরায়েলি হামলা রবিবার ২৪তম দিনে প্রবেশ করেছে।
স্থানীয় সময় সকাল পৌনে সাতটা থেকে গাজায় ভারী গোলাগুলির শব্দ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিবিসির সংবাদদাতা জেরেমি বোয়েন।
তিনি দক্ষিণ ইসরায়েলের আশকেলন শহরের একটি হোটেলে অবস্থান করছেন। এই শহরটির ১০ কিলোমিটার দূরেই গাজা উপত্যকা।
সকালে গোলাগুলির শব্দেই তার ঘুম ভেঙে যায়। “মাত্র এক মিনিটে ছয়টি তীব্র হামলার শব্দ শুনতে পাই। ইসরায়েলি আর্টিলারি ব্যাটারি থেকে গাজায় অবিরাম গুলিবর্ষণ চলতেই থাকে।”
