আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর সারা দেশের মানুষ গণজাগরণের ঢেউ তুলেছে। নির্বাচন নিয়ে জনগণের আগ্রহ প্রবল। মানুষ নির্বাচন নিয়ে কতোটা আজকে স্বতঃস্ফূর্ত এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। গতকাল রাজধানীর ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সভায় এ কথা বলেন। ট্রেনে ও বাসে আগুন নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, এখন বাংলাদেশে বিরোধী দলের নির্বাচনের বাইরে যে রাজনীতি সেটা বিরোধী রাজনীতি নয়, সেটা গঠনমূলক সমালোচনা নয়- এটা স্রেফ নাশকতা। নাশকতার এই কালো হাত ভেঙে দিতে হবে। রাতে স্টেশনে থাকা ট্রেনে আগুন দেয়া হচ্ছে। চোরাগোপ্তা হামলা- এই রাজনীতি প্রতিহত ও প্রতিরোধ করতে হবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নতুন ভোটারদের কথা মাথায় রেখে আগামী নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা চালাবেন। কীভাবে অপপ্রচারের বিপক্ষে পজিটিভ সাজাবেন। নতুন মডেলে করবে সেটাই হলো আমার পরামর্শ।
বদলে যাওয়া বাংলাদেশের গল্প কতো সুন্দরভাবে, কতো সহজে সাধারণ মানুষের সঙ্গে উদ্যাপন করবেন সেটা চিন্তা করবেন। প্রচার প্রচারণার জন্য সময় একেবারেই কম। যাদের যে দায়িত্ব দিলে কাজ হবে, তাদের সে কাজ দিতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের নির্বাচনী প্রচারণার মূল স্লোগান হবে, ‘নাশকতার কালো হাত ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’। আমাদের চোরাগোপ্তা হামলা প্রতিহত করতে হবে। সারা বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। নির্বাচনের পক্ষে সারা দেশে গণজোয়ার। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক
এই সময়ে চোরাগোপ্তা হামলা, টেমস নদীর ওপার থেকে স্কাইপিতে অবৈধ বক্তব্যও দেয়া হচ্ছে। এসব নিয়ে হঠাৎ হঠাৎ গুহা থেকে বের হয় একটা প্যাথলজিক্যাল লায়ার। এসেই যা খুশি বলা- ‘সরকার পতন সময়ের ব্যাপার’! এই করতে করতে ২৮ তারিখ চলে গেছে। এখন অপেক্ষা করতে হবে আগামী বছরের ২৮ তারিখের জন্য। নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার হিসেবে যে সরকার আছে এই সরকারই থেকে যাবে। গতবারও এটাই হয়েছে। তবে এখানে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী থাকতে পারবে না, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারাও থাকতে পারবেন না। এই পদবিগুলোতে যারা আছেন, তারা অটোমেটিক বাদ হয়ে যাবে।
