গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের বিরুদ্ধে ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর অভিযান ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। এই আবহে সোমবার নয়া হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র সামনে নিয়ে এসেছে ইরান। এর ফলে ইসরাইল-তেহরান সংঘাত নতুন মাত্রা পেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রোববার রাজধানী তেহরানে এক সামরিক প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে জনসমক্ষে আনা হয় ইরান সেনাবাহিনীর তরফে। ওই দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেইনি ওই সামরিক প্রদর্শনীতে হাজির ছিলেন। ইরান সেনাবাহিনীর বিশেষ বাহিনী ‘রেভোলিউশনারি গার্ডস অ্যারোস্পেস ফোর্স’-এর হাতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেয়া হয়েছে বলে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে। গাজায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ
ফার্সি ভাষায় ফাতাহ্-২ নামের ১,৪০০ কিলোমিটার পাল্লার ওই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র শত্রুর ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে বিকল করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যমের তরফে। ফার্সি ভাষায় ফাতাহ্ শব্দের অর্থ ‘জয়ী’ চলতি বছরের জুন মাসে ওই ক্ষেপণাস্ত্রের প্রথম পরীক্ষা করা হয়েছিল ইরানে। ওই প্রদর্শনীতে ইরান সেনাবাহিনী প্রথমবার প্রকাশ্যে আনে শাহিদ সিরিজের ড্রোনের একটি নতুন সংস্করণ এবং ৯-দেই ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থার একটি উন্নত সংস্করণ প্রকাশ্যে এনেছে।
রবিবার রাজধানী তেহরানে এক সামরিক প্রদর্শনীতে এই ক্ষেপণাস্ত্রকে জনসমক্ষে আনা হয় ইরান সেনার তরফে। সে দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা আলি খোমেইনি ওই সামরিক প্রদর্শনীতে হাজির ছিলেন। ইরান সেনার বিশেষ বাহিনী ‘রেভোলিউশনারি গার্ডস অ্যারোস্পেস ফোর্স’-এর হাতে এই ক্ষেপণাস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছে বলে সে দেশের সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে।
