ফেরদৌস আহমেদ প্রথমে র্যাম্প মডেল। এরপর পা রাখেন চিত্রজগতে। ১৯৯৭ সালে ঢাকাই সিনেমার হার্টথ্রব নায়ক সালমান শাহের অসমাপ্ত কাজ ‘বুকের ভিতর আগুন দিয়ে প্রথম অভিনয় করেন। তবে তার প্রথম সিনেমা মুক্তি পায় ওই বছরই গাজী মাজহারুল আনোয়ারের পৃথিবী আমারে চায় না।
পরের বছরই ১৯৯৮ সালে কলকাতা থেকে নির্মিত ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ই তাকে রাতারাতি তারকা খ্যাতি এনে দেয়। সেই থেকে তিনি ঢাকার পাশাপাশি কলকাতা ও বলিউডের সিনেমায় অভিনয় করে নিজের তারকা খ্যাতিকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তোলেন। তার স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রি থেকে প্রথমবারের মতো একজন নায়ক হিসেবে ঢাকা-১০ আসন থেকে জাতীয় সংসদে লড়তে যাচ্ছেন তিনি।
বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী চাইলে নির্বাচনে লড়বেন- সেই টিকিট পেয়ে কেমন লাগছে?
বলার অপেক্ষা রাখে না এ যে কত আনন্দের, কত যে ভালো লাগার; কোনোভাবেই বর্ণনা করা যাবে না এর অনুভূতিকে। আমি সর্বপ্রথমেই কৃতজ্ঞতা জানাই মহান আল্লাহতালার প্রতি। এরপরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি। যিনি আমাকে এই মহান দায়িত্ব পালন করার জন্য মনোনীত করেছেন। আমার রাজনীতিতেও আসা হয়েছে তার নির্দেশেই। আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব এই দায়িত্ব পালন করার। প্রার্থী হিসেবে যে কেউই প্রত্যাশা করেন জয়ী হওয়ার ব্যাপারে। আমি শুধু জয়ী হওয়াই নয়, আশা আছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হওয়ার। বাকিটা সবার সহযোগিতা এবং উপরওয়ালার ইচ্ছা। ঢাকাই সিনেমার হার্টথ্রব
নতুন একটি সিনেমায় কাজ করছি। সম্প্রতি চট্টগ্রামে এর প্রথম লটের শুটিং করেছি। সরকারি অনুদানে রিফাত মোস্তফার পরিচালনায় এই ছবিটির নাম ‘যুদ্ধ জীবন’। এ ছাড়া অন্য কাজ নেই এই মুহূর্তে। কথাবার্তা চলছে, সামনে হয়ত নতুন কাজে হাত দিতে পারি।
ছবিটি কি মুক্তিযুদ্ধের ওপর- গল্পটি কেমন?
সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের নয়। এটা যুদ্ধ পরবর্তী অন্য জীবনের গল্প। একেবারেই ডিফারেন্ট ছবি হবে এটা। ছবিটিতে একজন আর্মি অফিসারের ভূমিকায় অভিনয় করছি আমি। বাংলাদেশে আর্মির ওপর আগে কোনো সিনেমা হয়নি।
ছবিতে আমাকে একেবারে নতুন লুকে দেখা যাবে। এতে আমার বিপরীতে আছেন নাবিলা। তবে গল্পটি ডিসক্লোজ করা যাবে না। ডিরেক্টরের বারণ আছে। আর্মির ওপর প্রথম সিনেমা তো তাই এটা এখনই প্রকাশ করতে চান না ওরা।
