প্রথম বিরতিহীন ট্রেন

কক্সবাজার থেকে প্রথম বিরতিহীন ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ (৮১৩) ঢাকায় পৌঁছেছে। দুপুর সাড়ে ১২টায় কক্সবাজারের আইকনিক স্টেশন থেকে যাত্রা করে ট্রেনটি কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছায় রাত ৯টা ৪০মিনিটে। দীর্ঘ ৯ ঘণ্টা ১০ মিনিটের যাত্রাপথে ট্রেনে পচা-বাসি খাবার পরিবেশনের অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা। একই সঙ্গে ট্রেনে ছিল না পর্যাপ্ত খাবার।

যাত্রীরা বলছেন, দীর্ঘ যাত্রাপথের বিরতিহীন ট্রেনে যদি খাবার এমন দুর্গন্ধযুক্ত হয় তবে এটি বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য সবচেয়ে দুর্ভাগ্যের বিষয়। এ অবস্থা থাকলে যাত্রীরা এই পথের রেলসেবা থেকে বিমুখ হতে পারে। তবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে আসা একজন সরকারি কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘ট্রেনের ক্যাটারিংয়ে যেমন খাবার থাকে আজও তেমন খাবারই পেয়েছি। দুপুরে চিকেন বিরিয়ানি খেয়েছি। ওই খাবারের প্যাকেটে ছিল এক পিস চিকেন, একটার ডিম এবং রাইস। এটার দাম নিয়েছিল ১৮০ টাকা। তবে খাবারে দুর্গন্ধ ছিল।

তিনি আরও বলেন, ‘ট্রেনে বিকেলের নাস্তা যাত্রী তুলনায় কম ছিল। অনেক যাত্রী না খেয়েই এসেছেন। যাত্রী সেবার পাশাপাশি রেলওয়ের খাবারের দিকে নজর দেওয়া উচিৎ। প্রথম বিরতিহীন ট্রেন

কক্সবাজার থেকে আসা শিক্ষার্থী এরশাদুল হক বলেন, ‘ট্রেনে এক পিস চিকেন, দুই পিস ব্রেডের সঙ্গে জেলি নিয়েছিলাম ১৮০ টাকায়। খাবারটা ততটা ভালো মানের ছিল না। দামও বেশি নিয়েছে।’

আরেক যাত্রী তাওহিদুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘ট্রেনে হাজারের বেশি যাত্রী ছিল। যাত্রাপথে খাবারের কষ্ট হয়েছে। চিকেন বিরিয়ানি একেবারে বাজে ছিল, দুর্গন্ধ বের হচ্ছিল। ক্যাটারিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তরা হয়ত ঠিকভাবে খাবার সংরক্ষণ করে নাই। দীর্ঘপথের বিরতিহীন এ ট্রেনের খাবারের দিকে যদি কর্তৃপক্ষ নজর না দেয় তাহলে যাত্রীরা ট্রেনবিমুখ হতে পরে।’

এ ছাড়া বিষয়টি নিয়ে দুপুরের পর থেকে সামাজিক মাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে। নিলয় দাস জয় নামের একজন লিখেছেন, প্রথম ট্রিপেই কক্সবাজার এক্সপ্রেসে বাসি বিরিয়ানি সার্ভ করেছে। ট্রেন চট্টগ্রাম পৌঁছানোর পর নিজাম থেকে বিরিয়ানি এনে বিকেল ৫টা নাগাদ লাঞ্চ করতে হলো, যদিও পুরো ট্রেনে কোনো খাবার নেই।

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments