জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের হয়ে লড়তে চেয়েছিলেন অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। কিন্তু দল থেকে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। তবে রাজশাহী ১ গোদাগাড়ী-তানোর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন এই নায়িকা। সে অনুযায়ী মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন মাহি।
তিনি আরও বলেন, আমাকে স্বতন্ত্র প্রার্থী বললে আমার কষ্ট লাগে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কেউ যেন নির্বাচন না করে তাই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি।
চাঁপাইনবয়াবগঞ্জ থেকে নির্বাচন করতে চেয়ে রাজশাহী থেকে নির্বাচন করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আমার নানির বাড়ির এলাকা থেকে নির্বাচন করছি। এই এলাকার জনগনের সাথে বিভিন্ন কাজ দীর্ঘদিন থেকে করে যাচ্ছি। আর চাপাইনবয়াবগঞ্জে অনেক প্রার্থী আছে তাই এই এলাকা থেকে নির্বাচন করছি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মাহিয়া মাহি মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বলেন, আমি মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শকে লালন করি। তার নৌকাকে নিজের নৌকা মনে করি। স্বতন্ত্র বললেই আমার মনে কষ্ট লাগে।
তিনি বলেন, এবার প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, কোনো এলাকায় যাতে কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত না হন। আমার মনে হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দেখানো নির্দেশে একটা অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার চেষ্টা করবো।
গত ২৭ নভেম্বর দুপুরে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে মাহিয়া মাহির পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন তার এক আত্মীয়। এই অভিনেত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমাস্তপুর-ভোলাহাট) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনোনয়ন পাননি। পরে তিনি তার জন্মস্থান নানাবাড়ি রাজশাহী-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
উল্লেখ্য, রাজশাহী-১ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন- বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের প্রার্থী ওমর ফারুক চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপা মাহিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আখতারুজ্জামান আখতার, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও মুন্ডুমালা পৌরসভার সাবেক মেয়র গোলাম রাব্বানী, আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সহধর্মীনি শাহ নেওয়াজ আয়েশা আখতার জাহান, বিএনএফ প্রার্থী আল-সাআদ, তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী জামাল খান দুদু, এনপিপির প্রার্থী নুরুন্নেসা, বাংলাদেশ সংস্কৃতি মুক্তি জোটের প্রার্থী বশির আহমেদ।
