বাংলাদেশ ক্রমশ ভূমিকম্পপ্রবণ হয়ে উঠেছে। মাঝেমধ্যেই ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে দেশ। এসব ভূমিকম্পে তেমন বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও বড় মাত্রার ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সাম্প্রতিককালে বড় মাত্রার ভূমিকম্প না হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।
গতকাল শনিবার সকাল ৯টা ৩৫ মিনিটে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। বাংলাদেশ ক্রমশ ভূমিকম্পপ্রবণ
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পের উৎপত্তি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব-উত্তরে। আর এর গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
তবে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৬। ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ঢাকা থেকে ৮৬ কিলোমিটার দূরে। ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব ছিল প্রায় ৩১ সেকেন্ড।
রাজধানীর বাইরে রায়পুরা, ভোলা, খুলনা, কোটালীপাড়া, চট্টগ্রাম, দেবীদ্বার, ঝালকাঠি, বরগুনা, রাজশাহী, সিলেট, রংপুর, চুয়াডাঙ্গা, নোয়াখালী, কুষ্টিয়ায় তীব্র ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্পের সময় অনেকেই আতঙ্কে ঘর বাড়ি ভবন থেকে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন। স্বজনদের খবর নিতে থাকে থাকেন কেউ কেউ। কিছু কিছু স্থানে বড় বড় ভবনে ফাটল ধরার খবর পাওয়া গেছে। কোথাও কোথাও ঘরের ছাদ ফেটেছে। কোথাও মেঝের টাইলসে ফাটল দেখা গেছে। ভূমিকম্পের সময় হুড়োহুড়ি করে নামতে গিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ছুপুয়া এলাকায় অবস্থিত আমির শার্ট গার্মেন্টসে শতাধিক কর্মী আহত হয়েছেন। কুমিল্লা মহিলা কলেজে আহত হয়ে চারজন কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
