সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি দেওয়ায় এবং অভিনব উপায়ে তৈরি মাস্টারকার্ডের মধ্যে ইলেকট্রনিক ডিভাইস সংযুক্ত করে জালিয়াতির ঘটনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এদের মধ্যে পরীক্ষার্থী, শিক্ষক এবং ছাত্রলীগের সাবেক অনেক নেতাও রয়েছেন।

গতকাল প্রথম পর্বে রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের ১৮টি জেলার ৫৩৫টি কেন্দ্রে এ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বের ৩ লাখ ৬০ হাজার ৬৯৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। প্রথম ধাপের রংপুর, গাইবান্ধা, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, সিলেট, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এই পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে রংপুর, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রামে ৭৬ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের কাছ থেকে বেশ কিছু মোবাইল ফোন ও ডিভাইসসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত

মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বিটু এক্স ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্রের উত্তর প্রদানের চুক্তি করা হয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রস্তুতির সময় পরীক্ষার আগের রাতে ও সকালে রংপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে ১৯ জনকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের মধ্যে রংপুর কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ তিনটি স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও একজন সাবেক ছাত্রলীগ নেতাসহ পরীক্ষার্থী এবং ডিভাইস জালিয়াতি সিন্ডিকেটের সদস্যরা আছেন। আটক ১১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে আট জনই নারী। পরীক্ষা শুরুর আগেই পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে সকলকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১১টি ডিভাইস, ৮০টি ফোন ও প্রবেশপত্র জব্দ করা হয়।

অর্থনৈতিকভাবে বাংলাদেশের অসামান্য সাফল্য

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments