শেয়ারবাজারে এখন বি ক্যাটেগরিভুক্ত শেয়ারের একচেটিয়া দাপট । গতকাল মঙ্গলবারের লেনদেনে দরবৃদ্ধি বা দরপতন উভয় ক্ষেত্রে এসব শেয়ারের একক প্রাধান্য দেখা গেছে। এমনকি লেনদেনের শীর্ষেও এ ক্যাটেগরিভুক্ত শেয়ার কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। লেনদেনে এমন চিত্র শুধু গতকালের নয়, গত কয়েক সপ্তাহের।
প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, গতকালের দরবৃদ্ধির তালিকার শীর্ষ ২০ কোম্পানির মধ্যে বি ক্যাটেগরিভুক্ত শেয়ার ছিল ১৫টি। এর মধ্যে শীর্ষ দশের আটটি ছিল এসব শেয়ার। আবার দরপতন তালিকায়ও শীর্ষ ২০ শেয়ারের ১০টি ছিল বি ক্যাটেগরির। এ ছাড়া টাকার অঙ্কে লেনদেনে শীর্ষ দশের মধ্যে ৯টিসহ শীর্ষ ২০ শেয়ারের ১৬টি ছিল বি ক্যাটেগরির শেয়ার। শেয়ারের একচেটিয়া দাপট
মূলত তালিকাভুক্ত কোম্পানির লভ্যাংশ প্রদানের হারের ওপর ভিত্তি করে শেয়ারের ক্যাটেগরি করা হয়। ১০ শতাংশ বা তার বেশি হারে লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানির শেয়ারকে এ ক্যাটেগরিভুক্ত করা হয়। এর কম হলে বি ক্যাটেগরি এবং কোনো লভ্যাংশ না দিলে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির শেয়ারকে জেড ক্যাটেগরিভুক্ত করা হয়।
এর বাইরে কোনো কোম্পানির ব্যবসা কার্যক্রম ছয় মাসের বেশি বন্ধ থাকলে বা পুঞ্জীভূত লোকসান পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণকে ছাড়ালে ওইসব কোম্পানির শেয়ারকে জেড ক্যাটেগরিভুক্ত করার নিয়ম রয়েছে। লভ্যাংশ না দেওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ার এন ক্যাটেগরির শেয়ার হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রয়েছে ৩৫৫টি। এর বাইরে তালিকাভুক্ত মেয়াদি ৩৭টি মিউচুয়াল ফান্ড রয়েছে। লভ্যাংশ দিক না দিক, এগুলোকে সবসময় এ ক্যাটেগরিভুক্ত সিকিউরিটিজ হিসেবে গণ্য করা হয়। এ হিসাবে এখন এ ক্যাটেগরির শেয়ার ও ফান্ড রয়েছে ২৫০টি। বি ক্যাটেগরির শেয়ার ১১৪টি। জেড ক্যাটেগরির শেয়ার ২৭টি এবং এন ক্যাটেগরির একটি।
