জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার যাচাই-বাছাইয়ে বাদ পড়া প্রার্থীদের মধ্যে আরও ৬১ জনের ভাগ্য খুলেছে। নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানির তৃতীয় দিনে তারা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এদিন অন্য ৩৫ প্রার্থীর আপিল খারিজ করে কমিশন। দু’জনের আপিল সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের সভাপতিত্বে নির্বাচন ভবন মিলনায়তনে ৯৮ জনের আপিলের শুনানি হয়। এ নিয়ে গত তিন দিনে ১৬৮টি আপিল মঞ্জুর এবং ১০৮টি খারিজ করা হয়েছে। গত রোববার শুরু হওয়া শুনানি চলবে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত।
গতকাল প্রার্থিতা ফিরে পাওয়াদের মধ্যে স্বতন্ত্র ২৯ জন, জাতীয় পার্টির চার, জাসদের তিন, তৃণমূল বিএনপির তিন, বিএসপির দুই, সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের দুই, গণফোরামের দুই, বাংলাদেশ কংগ্রেসের তিন, ইসলামী ঐক্যজোটের তিন, ইসলামী ফ্রন্টের তিন, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (ন্যাপ) দুই, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির এক এবং অন্যান্য দলের চারজন। আপিল নামঞ্জুর হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র ২১ জন, জাতীয় পার্টির এক, জাসদের তিন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের পাঁচ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির দুই, তৃণমূল বিএনপির এক এবং ইসলামী ঐক্যজোটের দু’জন। বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী মো. সাহিদুল ইসলাম মিন্টুর আপিল হলফনামা দাখিলের শর্তসাপেক্ষে প্রথমে মঞ্জুর করা হলেও পরে তা সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রাখা হয়। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. খালেকুজ্জামানের আপিলও অপেক্ষায় রাখা হয়েছে। জাতীয় নির্বাচনে রিটার্নিং
গণতন্ত্রী পার্টির সব প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। দলটির অনুমোদিত কোনো কমিটির অস্তিত্ব না থাকায় ওই পার্টি থেকে দাখিল করা সব মনোনয়নপত্র বাতিল করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসির চিঠিতে বলা হয়, নিবন্ধিত গণতন্ত্রী পার্টির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পৃথকভাবে দাখিল করা কমিটি কমিশন নামঞ্জুর করেছে।
১৪ দলীয় জোটের শরিক গণতন্ত্রী পার্টির দুটি গ্রুপের ১২ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। তাদের প্রায় সবার প্রার্থিতা বৈধ হয়।
