সরকার পতনের এক দফা দাবিতে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর ডাকা একাদশ দফায় ৩৬ ঘণ্টা অবরোধের প্রথম দিন গতকাল মঙ্গলবার দেশের বিভিন্ন স্থানে মিছিল সমাবেশ হয়েছে। রাজধানীতে দুটিসহ আগুন দেওয়া হয়েছে চারটি গাড়িতে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়ি ভাঙচুর ও সড়ক অবরোধ করে পিকেটিং হয়েছে।
আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ অবরোধ কর্মসূচি চলবে। কাল বৃহস্পতিবার শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও শনিবার মহান বিজয় উপলক্ষে বিএনপির কর্মসূচি রয়েছে। আগামী রোববার থেকে ফের দলটি নতুন করে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে পারে।
২৮ অক্টোবর নয়াপল্টনে মহাসমাবেশ পণ্ড হওয়ার পর থেকে বিএনপি ও সমমনা দলগুলো আগে ১০ দফায় ২১ দিন অবরোধ এবং তিন দফায় চার দিন হরতাল করেছে। বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের বাইরে থাকা জামায়াতে ইসলামী ও এবি পার্টি একই কর্মসূচি পালন করছে। সরকার পতনের এক দফা
একাদশ দফা অবরোধের প্রথম দিন গতকাল রাজধানীর আরামবাগ, ফকিরাপুল, মগবাজার, সেগুনবাগিচা, সেন্ট্রাল রোড, বনশ্রী, রামপুরা, দৈনিক বাংলা মোড়, মতিঝিল, বাংলামটর, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, পল্লবী, যাত্রাবাড়ী, খিলগাঁও ও ধানমন্ডিতে মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। প্রেস ক্লাব, কাকরাইল ও বিজয়নগর এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, এলডিপি ও ১২ দলীয় জোট। বিজয়নগরে বিজয়-৭১ চত্বরে কর্মসূচি পালন করে এবি পার্টি। এদিন বিক্ষোভ মিছিল করে গণফোরাম (মন্টু) ও গণঅধিকার পরিষদের দুই অংশ।
অবরোধের পক্ষে গতকাল রাজধানীর পান্থপথ, মিরপুর ৬০ ফিট আমতলা বাজার, আবদুল্লাহপুর বেড়িবাঁধ, মগবাজার, কাফরুল, রামপুরা, মোহাম্মদপুর, শনির আখড়া, হাজারীবাগ, খিলগাঁও এবং ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে ঝটিকা মিছিল-পিকেটিং করেছে মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াত। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ দলের নেতাকর্মীকে সাজার প্রতিবাদে গতকাল সন্ধ্যার পর জাতীয় প্রেস ক্লাব থেকে পল্টন মোড় পর্যন্ত বিক্ষোভ করে। বিক্ষোভে মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন বলেছেন, ফরমায়েশি রায়ে চলমান আন্দোলন দুর্বল করা যাবে না।
