সুদের হারের সীমা

সুদের হারের সীমা তুলে দেওয়ার পর আমানত ও ঋণের সুদহার বাড়তে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ঋণের সুদহার আড়াই শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে প্রায় সাড়ে ১১ শতাংশে পৌঁছেছে।

 সমান তালে বেড়েছে আমানতের সুদহারও। এর ফলে মানুষের হাতে থাকা নগদ টাকা ব্যাংকে ফিরতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চার মাসে ব্যাংকের বাইরে থাকা মোট নগদ টাকা থেকে প্রায় ৪৬ হাজার কোটি টাকা আমানত হিসেবে ব্যাংকে ফিরেছে। ফলে ব্যাংক খাতের আমানতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

ব্যাংক থেকে টাকা বাইরে চলে যাওয়া শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত জুলাইয়ে সুদহার নির্ধারণের নতুন নিয়ম চালু করে। সুদহারের ৯ শতাংশের সর্বোচ্চ সীমা থেকে বের হয়ে স্মার্ট সুদহার নামে নতুন নিয়ম চালু করে। স্মার্ট হলো, সিক্স মান্থস মুভিং এভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল। প্রতি মাসের শুরুতে এই হার জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকসুদের হারের সীমা

গত জুন মাসে স্মার্ট ছিল ৭ দশমিক ১০ শতাংশ, যা নভেম্বরে বেড়ে হয়েছে ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। স্মার্ট সুদহারের সঙ্গে ব্যাংকগুলো ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ যোগ করতে পারে। ফলে সুদহার বেড়ে এখন হয়েছে ১১ দশমিক ৪৭ শতাংশ। সুদহার নির্ধারণে বেশির ভাগ ব্যাংক কিছুটা অপেক্ষা করলেও এখন পরিবর্তন করছে। কারণ, ৯ শতাংশ থেকে বেড়ে ঋণের সুদহার সাড়ে ১১ শতাংশ হয়েছে।

ব্যাংকগুলোর তারল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে সম্পদ-দায় ব্যবস্থাপনা কমিটি (অ্যালকো) আমানত ও ঋণের সুদহার নির্ধারণ করে থাকে। এ ছাড়া সংকটে পড়ে কোনো কোনো ব্যাংক এখন ১২ শতাংশের বেশি সুদে তহবিল সংগ্রহ করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মে মাসে ব্যাংকের বাইরে মানুষের হাতে থাকা টাকার পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৯ কোটি। পরের মাস জুনে ব্যাংকের বাইরে টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৯১ হাজার ৯১৩ কোটি। অর্থাৎ, এক মাসেই ব্যাংকের বাইরে চলে যায় ৩৬ হাজার ৮৪ কোটি টাকা।

রাবি বিভাগীয় শহরে ভর্তি পরীক্ষা নেবে না


0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Oldest
Newest Most Voted
Inline Feedbacks
View all comments