রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনে কাউন্সিলরদের সহযোগিতা নিয়ে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি বাড়াতে চায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পুলিশ বিভাগ মনে করে, প্রান্তিক পর্যায়ের জনগোষ্ঠী ও ভোটারদের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নিবিড় যোগাযোগ ও সম্পর্ক রয়েছে। তারা আশ্বাস দিলে ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে আস্থা পাবেন। এ জন্য কাউন্সিলরদের ভোটারদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একজন কাউন্সিলর ভোটারদের জন্য গাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
সোমবার রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে ডিএমপি। এতে সংরক্ষিত নারী আসন ও সাধারণ আসনের শতাধিক কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জনপ্রতিনিধিদের কাছে ১৮টি প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।
এর একটি লিখিত কপিও কাউন্সিলদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। এতে রাজধানীর মেস ও আবাসিক হোটেলে থাকা সন্দেহভাজনদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া, স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে পাহারার ব্যবস্থা করা, এলাকায় নির্বাচনী পরিবেশ বজায় রাখা ও ভোটাররা যাতে কেন্দ্রে গিয়ে অবাধে ভোট দিতে পারেন, সেই পরিবেশ তৈরিতে সহায়তা করা ছিল অন্যতম। কাউন্সিলরদের সহযোগিতা নিয়ে
তবে সভায় ঘুরেফিরে আসে কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার প্রসঙ্গ। কাউন্সিলররা ফুটপাতে চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, যানজট, অবৈধ দখলসহ নানা সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তখন ডিএমপি কমিশনারের পক্ষ থেকে আশ্বাস দিয়ে বলা হয়, আপাতত কাউন্সিলররা যেন অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ও ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করার কাজটি সফলভাবে সম্পন্ন করেন। লোকজনকে আশ্বাস দেন– সহিংসতা হবে না এবং পুলিশ ও কাউন্সিলররা নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। সভায় নাশকতায় জড়িতদের চিহ্নিত ও তথ্য দিয়ে সহায়তা করার কথাও বলা হয়েছে।
সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়ে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সভা চলে। এর আগে ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান ব্রিফিংয়ে বলেন, যারা ভোট ঠেকাতে আসেন, তাদের অপতৎপরতা প্রতিহত করার সাংবিধানিক দায়িত্ব প্রতিটি নাগরিক ও জনপ্রতিনিধির। মতবিনিময় সভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো এলাকায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যা আছে কিনা– তা জানতেই কাউন্সিলরদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, নির্বাচন ঘিরে কোনো সুনির্দিষ্ট ঝুঁকি নেই।
