সময়ের পথ পরিক্রমায় দেশের জনগণ পাঁচ বছর পর পর ভোটের মাধ্যমে তাদের এলাকার অগ্রযাত্রা আর ভাগ্যোন্নয়নের জন্য জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করে থাকেন।
আর এই জনপ্রতিনিধি তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষা, চাহিদা ও স্বপ্নপূরণের সারথি। একজন সৎ, যোগ্য ও নিষ্ঠাবান প্রতিনিধি পারে জনগণের পাশে থেকে তাদের স্বপ্নপূরণ করতে। সময়ের পথ পরিক্রমায়
এলাকাবাসীর চোখে তেমনই একজন আদর্শবান স্বপ্ন-সারথী জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবং সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম।
আসন্ন দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন ঢাকা-১ আসনে নাঙ্গল প্রতীক নিয়ে সালমা ইসলাম জনগণের রায় প্রত্যাশী।
সালমা ইসলাম বলেন, আমার ব্যক্তিগত কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমার চাওয়া দোহার ও নবাবগঞ্জবাসী সুখী-সমৃদ্ধ হোক। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এলাকাকে আধুনিক অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলা। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখে জনগণের পাশে থেকে এলাকার সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা আমার রাজনীতির লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, আমাদের রাজনীতির একমাত্র লক্ষ্য দেশ ও জনগণের সেবা করা। যদি আমরা এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন না করতে পারি তাহলে আমাদের রাজনীতি করা সার্থকতা আসবে না। ‘ক্ষমতা নয় মমতা, নাঙ্গল আনবে সমতা’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে অবহেলিত দোহার-নবাবগঞ্জ যাতে দেশের অন্যান্য দৃষ্টিনন্দন উপজেলাগুলোর সঙ্গে তালমিলিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার মহাসড়কে উঠতে পারে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয় রোধ করে, সুখী সমৃদ্ধ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে আমাদের সবার ভূমিকা রাখতে হবে।
সালমা ইসলাম বলেন, দোহার নবাবগঞ্জবাসীর কাছে আমি ঋণী, কারণ বরাবরই তারা আমাকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচিত করেন। তাদের দোয়া ও আশীর্বাদ সবসময় আমাকে কাজে অনুপ্রেরণা জোগায়।
তাইতো দোহার-নবাবগঞ্জের আনাচে-কানাচে গিয়ে দুস্থ ও অসহায়দের সেবা করা, এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য সামাজিক প্রতিষ্ঠানসহ এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। উন্নয়নের ধারাকে সুসংঘটিত করতে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।
