বাংলাদেশ দলে একজন বিশ্বমানের লেগ স্পিনারের শূন্যতা দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি আশার আলো দেখাতে শুরু করেছেন রিশাদ হোসেন। বোলিংয়ের সঙ্গে ব্যাটিংয়েও তার কিছু অবদান রাখার সামর্থ্য রয়েছে। তবে এখনো তাকে নিয়ে সেভাবে বলার মতো কিছু হয়নি।
ভবিষ্যতে রিশাদ কেমন করবেন, সেটা এখনই বলতে পারছেন না নির্বাচক দলের সদস্য হাবিবুল বাশার। তবে লেগ-স্পিনার তুলে আনার জন্য কোচ ও অধিনায়কের সাহায্যের প্রয়োজনের কথা জানালেন তিনি।
শনিবার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) ওয়ানডে ফরম্যাটের ফাইনাল চলাকালীন তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকদিন ধরেই লেগ-স্পিনারের খোঁজে আছি। আমরা টুর্নামেন্টের মধ্যে একাদশ নির্বাচনে তত বেশি ভূমিকা রাখতে পারি না। বিসিবির টুর্নামেন্টে কিছু ভূমিকা রাখা যায়। শুধু অনুশীলন করিয়ে লেগ-স্পিনার তৈরি করা খুবই কঠিন। লেগ স্পিনারের শূন্যতা
তিনি বলেন, ‘এজন্যই একজন লেগ-স্পিনার খেলানো বাধ্যতামূলক করেছিলাম। বাকি ম্যাচগুলোতে কোচের ওপর নির্ভর করবে। কক্সবাজারে যে ম্যাচগুলো দেখেছি তাতে ভালোই মনে হয়েছে। খেলানোর সুযোগ দিলে ভালো করবে। সেক্ষেত্রে আমাদের কোচ ও অধিনায়ক যারা আছেন তাদের সাহায্য লাগবে। আমরা যতই চেষ্টা করি তারা সাহায্য না করলে লেগ-স্পিনার তুলে আনা যাবে না।
অন্য দলগুলো একজন করে লেগ স্পিনার নিয়ে তাদের বোলিং আক্রমণ সাজায়। কিন্তু বাংলাদেশে একজন লেগ স্পিনার না পাওয়ার আক্ষেপ সব সময়ের। ভালো মানের লেগ স্পিনার না থাকায় তাদের একাদশে সুযোগ হয় না। স্কোয়াডে থাকলেও খেলানো হয় না মূল ম্যাচে।
অথচ সাদা বলের ক্রিকেটে ভালো করতে হলে একজন লেগ স্পিনারের বিকল্প নেই। প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বরাবরই এমনটা বলে আসছেন। নির্বাচকরাও সেই প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করে উদ্যোগ নিচ্ছেন। এবার বিসিএলের ওয়ানডে আসরে চার লেগ স্পিনারের অন্তত এক ম্যাচ খেলা বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছিল। নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন মনে করেন, শুধু অনুশীলন করে লেগ স্পিনার তৈরি করা যাবে না। একজন লেগ স্পিনার হওয়ার জন্য নিয়মিত ম্যাচ খেলা জরুরি।
