নতুন বইয়ের গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে সারাদেশের সব বিদ্যাপীঠে। শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন বিদ্যালয়ে এসে নতুন বই হাতে পেয়ে আনন্দে আত্মহারা শিক্ষার্থীরা। তাদের উচ্ছ্বাস আর উল্লাসে মুখর হয়েছে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। ঝকঝকে চাররঙা নতুন বই হাতে পেয়ে প্রাথমিক স্তরের শিশুরা উল্টেপাল্টে দেখেছে কী কী আছে। নতুন পাঠ্যবই বুকে নিয়ে শিশুদের প্রাণখোলা হাসি।
রাজধানীসহ সারাদেশে গতকাল সোমবার উদযাপিত হয়েছে পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস। শিক্ষাবছরের প্রথম দিন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের প্রায় ছয় কোটি ছাত্রছাত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হলো নতুন বই। তাদের অংশগ্রহণে হাজারো স্কুল হয়ে উঠেছিল উৎসবে রঙিন।
প্রাথমিকের কোমলমতি শিশুদের জন্য গতকাল রাজধানী ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে মিরপুরে ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে কেন্দ্রীয় বই উৎসবের মাধ্যমে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়া হয়। এই বিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় বই উৎসবে ঢাকার ২০টি সরকারি-বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দেড় হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৮ জনের হাতে বইয়ের সেট তুলে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। এর আগে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে বই উৎসবের উদ্বোধন করেন তিনি।
নতুন বই নিতে আসা মিরপুর ন্যাশনাল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র তানজিল শেখ বলে, বছরের প্রথম দিন নতুন বই নিতে পেরে আমি খুবই খুশি।
একসঙ্গে সব বই পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত ওয়াক আপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী অথৈ সিংহ। সে জানায়, তৃতীয়বারের মতো ১ জানুয়ারি নতুন বই পেয়েছে। তবে বই উৎসবে এবারই প্রথম যোগ দেওয়া। সে কারণে তার খুব আনন্দ লাগছে। নতুন বইয়ের গন্ধ
মিরপুরের কেন্দ্রীয় উৎসবের সঙ্গে সঙ্গে একযোগে সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়েছে বই উৎসব। সংসদ নির্বাচনের কারণে অন্যান্য বছরের মতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন এবার সেভাবে ছিল না। রাজনৈতিক নেতাদেরও এবারের বই উৎসবে রাখা হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়ার আয়োজনে চেষ্টায় কোনো ঘাটতি রাখেনি সরকার।
