চলনবিল অধ্যুষিত নাটোর ৩(সিংড়া) আসনে নৌকা প্রার্থী,আইসিটি প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক নৌকার ভোট চেয়ে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। মানুষকে শোনাচ্ছেন স্মার্ট সিটি বিনির্মাণের গল্প। বদলে যাওয়া সিংড়াকে ধারাবাহিক উন্নয়নের ধারায় স্মার্ট সিটি করতে যান তিনি।
উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট চাচ্ছেন তিনি। ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন গত ১৪ বছরে সিংড়ায় উন্নয়নের গল্প। তার গল্পের সাথে বাস্তবের মিল দেখে ভোটাররাও তাকে ফুল দিয়ে বরণ নিতে কার্পণ্য করছেন না।
যখনি যেই এলাকায় পৌঁছুচ্ছেন,সেখানেই চলছে মুহুর্মুহু স্লোগান আর অভিনন্দন বার্তা।
তথ্যমতে, দীর্ঘ ৩৭ বছরে অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়াকে আধুনিক,স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে প্রত্যয় নিয়েছেন পলক। দেশের উন্নয়ন আর এগিয়ে চলার বাতিঘর হিসেবে খ্যাত শেখ হাসিনার অনুসারী হিসাবে সিংড়াকেও গড়তে চান স্মার্ট সিটি হিসাবে।
জানা যায়, ২০০৮ সালে প্রথম নির্বাচিত হন জুনাইদ আহমেদ পলক। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরতে হয়নি। পরপর দুইবার আইসিটি মন্ত্রনালয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। সিংড়াকে গড়েছেন নিজ স্বপ্নে বুনানো বিছানায়, উন্নয়নের সোপানে। চলনবিল অধ্যুষিত নাটোর
সরজমিনে জানা যায় আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর সিংড়ায় নাটোর -বগুড়া মহা সড়কের শেরকোল এলাকায় আইসিটি বিভাগের অধীনে আইটি পার্ক, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবিশন সেন্টার, সিংড়া টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ।
জানা যায়,সকল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চালু হলে প্রায় ২০ হাজার তরুণ তরুণীর কর্মসংস্থান হবে সিংড়াতেই।
শুধু তাই নয়, বিগত ১৪ বছর ক্ষমতায় থেকে পলকের আরেকটি দৃষ্টিনন্দন এবং স্মরণীয় উদ্যোগ সিংড়া -বারুহাস- তারাশ সাবমারসিবল সড়ক। ওটি নির্মাণের পরে সিংড়ার প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষগুলো ২০ মিনিটের মধ্যে পৌছাতে পারেন এখন সিংড়ায়। এতে উন্নত হয়েছে সিংড়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা।
এছাড়া,সিংড়া পৌরবাসীর জন্য এক কোটি চল্লিশ লক্ষ টাকায় পৌর ক্যানেল সংস্কার করে সুবর্ণ সরোবর করা হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ্যা এবং বিকেলে পৌর এলাকার বিভিন্ন বয়সী পুরুষ- নারী -শিশুদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিনোদনের প্রথম স্থান হিসেবে এই সুবর্ণ সরবাটি।
